






















বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিয়ে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী?
ভাস্কর ব্যানার্জী

লোকে বলে বিয়ে নাকি দিল্লী কা লাড্ডু। খেলেও বিপদ আবার না খেলেও বিপদ। বিয়ে নিয়ে এরকম বহু বেদনাদায়ক মন্তব্য করা হয়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন অন্য কথা। তারা বলছেন, বিয়ে নাকি মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমনই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এই গবেষণার পরিপ্রেক্ষিতে দেখা গেছে, বিবাহিতরা অবিবাহিতদের চেয়ে অনেক বেশি সুস্থ ও সুখী। তাঁদের মানসিক অবস্থাও অবিবাহিতদের চেয়ে অনেক ভালো। অবিবাহিতরা বিবাহিতদের চেয়ে বেশি মানসিক অস্থিরতা ও বিষণ্নতায় আক্রান্ত। নিউজিল্যান্ডের ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক কেইট স্কট গবেষণার পর এই তথ্য জানান।
স্কট বলেন, ‘আমরা আমাদের গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেছি, বিয়ে সব সময়ই মানুষকে মানসিক শান্তি দিয়ে থাকে। এতে নারী ও পুরুষ উভয়েই স্বাস্থ্যগত দিক দিয়ে লাভবান হন। বৈবাহিক সম্পর্ক ভেঙে গেলে মানুষের মানসিক বৈকল্যের আশঙ্কা দেখা দেয়।’
বিয়ের পর সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া বা স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যু, মানুষকে মানসিকভাবে অসুস্থ করে দেয়।
এ গবেষণায় বেশকিছু মজার তথ্যও বেরিয়ে এসেছে।
যেমন, বিয়ের মাধ্যমে পুরুষেরা নারীর চেয়ে বেশি উপকৃত হন।
বিয়ের প্রাকমুহূর্তে পুরুষের চেয়ে মেয়েরা অনেক বেশি চিন্তিত থাকেন। এর কারণ মেয়েদের বিবাহোত্তর দায়-দায়িত্ব পুরুষের চেয়ে বেশি হয়। জানিয়েছেন অধ্যাপক স্কট।
বিয়ে মানুষকে পারিবারিকভাবে অনেক বেশি দায়িত্বসচেতন করে, নিয়মানুবর্তিতার বন্ধনে আবদ্ধ করে। বিয়ের পর অনেকেই ধূমপান ও মদ্যপানের হার কমিয়ে দেন। যখন কারও বাবা কিংবা মা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়, তখন তার আরও বেশি দায়িত্ববোধ ও সচেতনতা তৈরি হয়।
১৫টি উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের প্রায় ৩৪ হাজার ৫০০ নাগরিকের ওপর এ গবেষণা চালানো হয়।
প্রেম কি কেউ করে?
সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ২৬ মাঘ ১৪১৬,

প্রথম কথা হচ্ছে, প্রশ্নটাই ভুল। প্রেম কি কেউ করে? আসলে সবাই যে প্রেমে পড়ে। কিভাবে যেন হারিয়ে যায় প্রেমের বাগানে। নিষ্টুর, নিরস বাস্তবতাকে পেছনে ফেলে প্রেম নিয়ে যায় মনের বাড়ি। সেখানে থাকে তুষারের শুভ্রতা, বৃষ্টির রিমঝিম সুর, সাগরের বিশাল নীল, বনের নিরবতা, না জানি আরো কত কি?প্রেম দেয় সাহস। এর প্রকাশ ঘটে ভাললাগা মেয়েটির চোখে চোখ রাখা থেকে। তার দৃষ্টিতে দৃষ্টি দিয়ে স্থবির হবার শক্তি আসে প্রেম হতে। প্রেম দেয় সেই মেয়েটির দৃষ্টিকে নিস্পাপ হাসিতে স্বাগত জানাবার প্রেরণা। প্রেম আরো জাগায় অস্থিরতা। মেয়েটির কাছে যাবার, তাকে একটি মাত্র ছুঁয়ে অনুভব করবার। প্রেম এনে দেয় আলৌকিক ক্ষমতা। তাকে ছুঁয়ে আসা বাতাস, তার ছোঁয়া ভুল অথবা তার আদর পাওয়া যে কোন কিছু হতে তাকে পাবার অনুভবের। প্রেম যেন এক বাঁধ ভাঙ্গা নদী। প্রথমেই ভাসিয়ে নেয় নিসঙ্গতা, তারপর দুঃখ বেদনা। বাসে ঝোলার বদৌলতে যারা ভাললাগা মেয়েটির চুলের ঘ্রান নেবার স্বাদ পেয়েছেন তারা জানেন সেই স্নিগ্ধতার সামনে গোলাপের ঐশ্বর্যও ম্লান।

প্রেমের যেটা সব থেকে মূল্যবান উপহার, সেটা হল “স্মৃতি”। মধুর প্রেমের স্মৃতির চাইতে মধুর আর কিই বা হতে পারে!! মেয়েটির সাথে কাটানো সন্ধ্যা, শাড়িতে মোড়ানো তার দেহ, কানের কাছে পাগলামী হাসি মেশানো সেই কথামালা, চোখের ভাষা লুকোবার তার বৃথা চেষ্টা অথবা অকারনে তার হাতে আঙ্গুলে শাড়ির আঁচল পেচানো। মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনের সব সম্পর্ক গুলোকেই প্রেম জীবন্ত করে তোলে। জীবনে আনে রস, আনে বৈচিত্র। শেষ কথা হল, “প্রেম আনে প্রাণ, রাখে বাচিঁয়ে, জীবনকে দেয় অর্থ। তাইতো আমরা প্রেমে পড়তে চাই।”


বাঙালী ?

বাঙালী ?
তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

বারবার উঠে আসে নানা আলোচনায়, বক্তৃতায়- নতুন প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাটা খুব জরুরী। আর তাদের যুদ্ধের মাধ্যমে একটি স্বাধীন দেশ উপহার দেয়া হয়েছে বলেও জানানো হয় ঐসব আলোচনায়। তবে এদেশের নবীন প্রজন্ম কী ভাবছে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, তাদের কাছে যে দেশ উপহার হিসেবে দেয়া হয়েছে সেটা সম্পর্কে তাদের ভাবনাটাই বা কেমন- ইত্যাদি নানা প্রসঙ্গে তাদের সঙ্গে এই কথোপকথনে জানা গেছে, তাদের হতাশার কথা বলেছেন, আমাদের রাজনীতিবিদদের ব্যর্থতার প্রসঙ্গ । তাদের সঙ্গে এই কথোপকথনে জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে তারাও নিজেদের মতো করে ভাবছেন। যে কোন বাংলা গ্রুপে গেলেই দেখা যায়, দেশকে নিয়ে, দেশের দুরবস্থা নিয়ে বেশ আলাপ হয়। কিন্তু আমরা যদি দেশকে এ অবস্থা থেকে উত্তোলিত দেখতে চাই তবে হতাশার কথা বলে লাভ নেই। আমাদের উচিত আশার আলো দেখানো, ভবিষ্যতের দিকে দৃষ্টি দেয়া। স্বপ্ন দেখা সুন্দর আগামীর। আমাদের একে অপরের মাঝে অনেক অমিল থাকতে পারে, কিন্তু তার মানে কি এই যে একটাও মিল থাকবেনা? সবাই দেশপ্রেমিক তাহলে তো আমরা একমত হতে পারি এবং দেশের কল্যানে কাজ করতে পারি।আজ স্বাধিনতার ৩৮ বছর পরও আমাদের দেশের কোন গোল নেই। নেয় কোন লংটার্ম পল্যান। আমরা যারা তরুন-তরুনি বা যুবক-যুবতী, তাদের সামনে নেই কোন নির্দিশট দিকনির্দেশনা। আর সর্বোপরী নেই এমন কোন নেতা নেত্রী যাদেরকে আমরা ফলো করতে পারবো, যাদের পানে আমরা সম্মানের সহিত থাকাবো।আমরা সমস্যার কথা না বলে সম্ভাবনার কথা বলি।আর এ সম্ভাবনার প্রথম ধাপ হলো স্বপ্ন দেখা। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা তৃণমূলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগ নেওয়া রাষ্ট্রযন্ত্রের উচিত এদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরা।ছোট থাকতে থাকতেই একটি শিশুকে নিজের দেশ ও জাতি সম্পর্কে জানানো উচিত। ফলে তার মধ্যে দেশপ্রেম আসবে এবং সে তার দেশকে নিয়ে ভাববে।আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আরো বেশি বেশি কাজ করা প্রয়োজন।চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দেশের নবীন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের কথা তুলে ধরা । তাহলেই এদেশের নবীনরা দেশ এবং দেশের মানুষকে নিয়ে ভাববে।

Kaniz Fatema
Mira Hasan

Dhaka, Bangladesh. I am a very sweet girl everyone tell that , my friends are also tell i am also a good friend.
Farzana Sume

Narsingdi, Bangladesh
Sema Akthar

Urmi Ahsan
Maisha Alam
Nafis Saleh Sadik


Tania Chowdhary


Tania Chowdhary

Redima Rahman
Tulip
Anita Jafrin


Hridika Hasan

Mouly Fahmida Khatun and Dristy Tangina Sultana
Ridwanul Ferdouss

Farhana Chowdhury Rodela's
EshiTa Eshi Barisal, Bangladesh
Asive Chowdhury Chandpur, Bangladesh
Ismika Rahman
Jannati Fatima
Ishtiak Khan Nirjhor, Shovon Sov, Wahid Manjour, Minhaj Murad, mamun, Irteza Rubel, barak, Rajeeb Arch, Lewis Tapan, Rubayet Sourav, Melodic Minor Tnu, Godslave Asad, Shaer, Rezbin Akter, gari mama, Prosun Sarker, Dipanwita Ridi, Shibbir Ahmed Manna, Samia Afrin (photos), jamse
Sara Jahan's Photos

Foyez Ahmed Faiz life is test , islam is best , namaz is must .Aakhirat is for rest, world is only dust .if QuRAN IS IN CHEST .nothing need next .obey allah fires, success will be next
Himika Rahman