
ইংল্যান্ডের মাটিতে ইংল্যান্ডকে বধ করলো টাইগাররা।ইংল্যান্ড টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে আমন্ত্রিত জানায়। প্রথমে ব্যাট করে ইমরুল কায়েসের অর্ধ-শতকের সুবাদে ৫০ ওভারে সফরকারী বাংলাদেশ করে ৭ উইকেটে ২৩৬ রান। দলের পক্ষে ইমরুল ৭৪, জহুরুল ইসলাম ৪০, তামিম ১৮, জুনায়েদ সিদ্দিকী ২১, মাশরাফি ২২ ও রিয়াদ অপরাজিত ২৪ উল্লেখযোগ্য। জয়ের লক্ষ্য ২৩৭ রান তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডের ইনিংস গুটিয়ে যায় ২৩১ রানে। ফলে ইংল্যান্ডকে হার মানতে হয় ৫ রানে। তখনো বাকি ছিল তিন বল। জোনাথন ট্রট করেন ৯৪ রান। ব্রিস্টলের কাউন্টি গ্রাউন্ডে জেতার লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করে ইংল্যান্ড। কিন্তু ৪৯ ও ৫৮ রানের মাথায় পরপর দুই উইকেট পড়ে যাওয়ায় বিপদে পড়ে ইংল্যান্ড। এ অবস্থায় দলের হাল ধরে বিপদ থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন জোনাথন ট্রট ও পল কলিংউড। কিন্তু ট্রট ছাড়া সুবিধা করতে পারেননি অন্য ব্যাটসম্যানরা। ৮৬ রানের মাথায় ১০ রান করে আব্দুর রাজ্জাকের বলে এলবিডব্লিউয়ে ফাঁদে পড়েন। দলের সঙ্গে চার রান যোগ হতেই আবারো এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন ইয়ন মর্গান (১)। বোলার সেই রাজ্জাক। বাংলাদেশের পক্ষে মাশরাফি, আব্দুর রাজ্জাক, শফিউল ইসলাম, রুবেল হোসেন ও সাকিব সবাই দুই উইকেট করে ভাগ নেয়। তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ তে সমতা ফিরিয়ে আনলো বাংলাদেশ।
সাবেক স্ত্রী আয়েশার বাবার করা মামলায় পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে হায়দরাবাদ পুলিশ। আজ ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার বাড়িতে এ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এরপর বাড়ির বাইরে সানিয়া মির্জাকে পাশে নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে শোয়েব মালিক।
কিছু দিন আগে নিজের বাগদান ভেঙে দিয়েছিলেন সানিয়া মির্জা। বাগদান ভাঙার সময় তিনি বলেছিলেন, বাগদত্ত স্বামীর সঙ্গে তাঁর মানসিক দূরত্বের কথা। কিন্তু এবার তিনি মানসিক দূরত্বকে দূরে ঠেলে দিতেই হয়তো নতুন করে বাগদত্তা হলেন এমন একজনের, যিনি ক্রীড়াবিদ সানিয়া এবং তাঁর তারকা সত্তাকে সবচেয়ে ভালো বুঝতে পারবেন। কারণ তিনি নিজেও একজন ক্রীড়াবিদ এবং একজন তারকা। সানিয়া মির্জার সেই বাগদত্ত আর কেউ নন, তিনি পাকিস্তান ক্রিকেটের সাবেক অধিনায়ক শোয়েব মালিক। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ভারত ও পাকিস্তানের এই দুই তারকা আগামী মাসের কোনো এক সময়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন।
রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে তিক্ত এই দুটি প্রতিবেশী দেশের শীর্ষ দুই তারকা ক্রীড়াবিদের বিয়ে সংগত কারণেই একটি কৌতূহলোদ্দীপক বিষয়। শোয়েব মালিক ও সানিয়া মির্জা দুজনই তারকা ও ক্রীড়াক্ষেত্রে নিজ নিজ দেশকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিনিধিত্বকারী ক্রীড়াবিদ। তবে তাঁদের পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া আরও জানিয়েছে, এই দুই তারকা ক্রীড়াবিদ অনাড়ম্বরভাবেই নিজেদের বিয়ের ব্যাপারটি সারতে চান।
খবরটা অবশ্য প্রথম ছড়িয়েছে পাকিস্তান থেকেই। সানিয়া মির্জা ও শোয়েব মালিকের বিয়ের খবরে তোলপাড় শুরু হয় পাকিস্তান ও ভারতের ক্রীড়াঙ্গনে। শোয়েব মালিক নিজেই টুইটারে স্বীকার করেন ঘটনার সত্যতা। তিনি বলেন, ‘সানিয়াকে বিয়ের ব্যাপারটি সত্য। ইনশাল্লাহ, আমরা এপ্রিলেই বিয়ে করতে যাচ্ছি।’ এদিকে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে পাকিস্তানি ক্রিকেট তারকা শোয়েব মালিকের সঙ্গে মেয়ে সানিয়া মির্জার বিয়ের কথা জানিয়ে দিয়েছেন সানিয়ার বাবা ইমরান মির্জা।
ভারত ও পাকিস্তানি তারকাদের পরস্পরকে বিয়ে করার ঘটনা অবশ্য এটাই প্রথম নয়। এর আগে আশির দশকে পাকিস্তানের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিকেটার মহসিন খান বিয়ে করেছিলেন ভারতীয় অভিনেত্রী রীনা রায়কে। রীনা রায় নাম বদলে রীনা খান হলেও সেই বিয়ে টিকেনি।
সানিয়া মির্জা ও শোয়েব মালিকের পরিবারের মধ্যে হায়দরাবাদে সম্প্রতি বিয়ের পাকা কথা সম্পন্ন হয়। শোয়েব মালিকের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘দুজনের জীবনই সুন্দর একটি পরিণামের দিকে এগোচ্ছে। তারা অবশ্যই সুখী হবে।’ বিয়ের পর সানিয়া ও শোয়েব দুজনই দুবাইয়ে স্থায়ী নিবাস গড়বেন বলে জানা গেছে। বিয়ের ঘটনা চাউর হওয়ার পর উচ্ছসিত সানিয়া মির্জা বলেন, ‘এটা আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দদায়ক মুহূর্ত।’ শোয়েব মালিক বলেছেন, বিয়ের পর সানিয়ার খেলা চালিয়ে যাওয়াতে তাঁর কোনো আপত্তি থাকবে না। তিনি সানিয়াকে অলিম্পিকে প্রতিনিধিত্বকারী একজন গর্বিত ভারতীয় ক্রীড়াবিদ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, ‘সানিয়া ভারতের জন্য ভবিষ্যতে আরও গর্ব বয়ে নিয়ে আসলে স্বামী হিসেবে আমার আনন্দ ও গর্বের কোনো সীমা থাকবে না।’
ঘরের কথা
সালমান শাহ'র প্রয়াণের পর আমাদের চলচ্চিত্রে যে ক'জন সম্ভাবনাময় নায়ক এসেছিলেন, তাদের উজ্জ্বল প্রতিভূ রিয়াজ। রোমান্টিক ছবিতে এখনও তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী। শুধু চলচ্চিত্রে নন, সংসার নামক রঙ্গমঞ্চেও তিনি সফল। যে রঙ্গমঞ্চের অধিকর্ত্রী হলেন তিনা। রিয়াজের সহধর্মিণী ভাবছেন ঘরের কথা, পরে জানলো কেমনে?_ জানতে হলে পড়তে হবে আজকের প্রধান প্রতিবেদন।

রিয়াজ-তিনার অন্দরমহল ঘুরে এসে লিখেছেন মরিয়ম সেঁজুতি আর ছবি তুলেছেন পলাশ খান।
রিয়াজ : তোমার নাচের অনুষ্ঠান কেমন হলো? তিনা : অনেক অনেক মজা হয়েছে। ওখানে সবাই আমার নাচ দেখে খুশি হয়েছে। জান, ওরা না জানতে চেয়েছিল তুমি নাচ পছন্দ কর কি না?
রিয়াজ : তুমি কি বলেছ?
তিনা : আমি আবার কি বলব। বলছি নাচ পছন্দ না হলে তো আমাকে কোথাও নাচতে যেতেই দিত না।
রিয়াজ : আমি কি কখনও তোমাকে বাধা দিয়েছি।
তিনা : বাধা! সেটা আবার কি জিনিস?
রিয়াজ : কেন তুমি বোঝ না? তুমি কি বাচ্চা মানুষ।
তিনা : আমি তো বাচ্চাই। তুমি তো আমাকে সব সময় বাচ্চা মানুষ বলে ডাক।
রিয়াজ : সে তো আদর করে। তার সেই খবর তো আর মানুষ জানেনা।
তিনা : আমি চিৎকার দিয়ে সবাইকে জানিয়ে দেব। আমি বাচ্চা মানুষ। আমি বাচ্চা ...।
রিয়াজ : মানুষ বিশ্বাসই করবেনা।
তিনা : আমি সবেমাত্র এইচএসসি পরীক্ষা দিব। মানুষ কেন বিশ্বাস করবে না।
রিয়াজ : বাচ্চা হও আর যাই-ই হও। আমাকে ভালোবসলেই চলবে।
তিনা : আমার বয়েই গেছে তোমাকে ভালবাসতে।
রিয়াজ : কি! তুমি আমাকে ভালবাস না।
তিনা : না।
রিয়াজ : তাহলে আমাকে বিয়ে করলে কেন?
তিনা : তুমি একেক সিনেমায় একেজনকে ভালবাস। আমি কেন তোমাকে ভালবাসতে যাব? আর তোমাকে বিয়ে করেছি এটা আমার ইচ্ছা।
রিয়াজ : তারমনে আমি চলচ্চিত্রে অভিনয় করি তা কি তুমি চাও না?
তিনা : চাই তো অবশ্যই। এ জন্যই তোমাকে বেশি ভালবাসি না।
রিয়াজ : মানে!
তিনা : বেশি ভালবাসলে তুমি তো আমার অাঁচল ছাড়বে না।
রিয়াজ : তাই নাকি!
তিনা : এখন বলো তোমার পরবর্তী ছবি কি আসছে?
রিয়াজ : আমার পরবর্তী ছবির পরিচালকরা হলেন এফ আই মানিক ও মুস্তাফিজুর রহমান মানিক।
তিনা : দারুণ তো। দু'জন পরিচালকই মানিক।
রিয়াজ : হ্যাঁ। দু'জনই মানিক। এফ আই মানিকের ছবির নাম চিরদিন আমি যে তোমার। আরেক মানিকের ছবির নাম মনে আসছে না।
তিনা : দুই মানিককে চিন কীভাবে?
রিয়াজ : একজন মোটা আরেকজন পাতলা।
তিনা : মোটা আর পাতলা ...।
রিয়াজ : হ্যাঁ। যে মোটা সে কালো আর যে পাতলা সে সুন্দর।
তিনা : হা-হা-হা
রিয়াজ : তোমার হাসিতে মুক্তা ঝরে। আমি তো পাগল হয়ে যাব।
তিনা : কি! তুমি এখনও পাগল হওনি।
রিয়াজ : তুমি কি আমাকে জোরকরে পাবনা পাঠাতে চাও।
তিনা : তুমি সিনেমায় যেভাবে নায়িকার জন্য কান্নাকাটি কর আমার কাছে রেখে বিপদে পড়ব না কি।
রিয়াজ : পাবনার চেয়ে ব্যাংকক কি অনেক ভাল না।
তিনা : সে আর বলতে। দা-রু-ণ
রিয়াজ : ব্যাংককে তোমার ভাল লেগেছিল।
তিনা : অনেক। অনেক ভাল লেগেছিল। বিশেষ করে পার্কে ঘুরে বেড়ানো খুব এনজয় করেছি।
রিয়াজ : আর তুমি যে বাঘের বাচ্চাকে দুধ খাওয়ালে।
তিনা : কি সব বাজে কথা বল।
রিয়াজ : আরে বোকা তুমি ফিডারে করে দুধ খাওয়ালে না।
তিনা : তাই বল। বাঘের বাচ্চাটা কি আরাম করে আমার কোলে বসেছিল তাই না।
রিয়াজ : হ্যাঁ। ঘুরতে গিয়ে আমার কাজের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে।
তিনা : শোন কাজ কাজ করবে না। কাজ করবে কম কম। আর ঘুরতে যাবে বেশি বেশি।
রিয়াজ : তাই বুঝি। এর পরে কোথায় যাবে ঘুরতে।
তিনা : বাহরাইন যাব। তুমি নিজেই তো ঠিক করেছ। রিয়াজ : আচ্ছা কোন ধরনের নৃত্য তোমার প্রিয়।
তিনা : লোকনৃত্য।
রিয়াজ : আর প্রিয় নৃত্যশিল্পী।
তিনা : রাহিজা খানম ঝুনু, শামীম আরা নীপা, শিবলী মোহাম্মদ, সোহেল রহমান, ফারজানা চৌধুরী বেবী, এরা প্রত্যেকেই আমার পছন্দের নৃত্যশিল্পী।
রিয়াজ : নৃত্যশিল্পী হয়ে অভিনয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলে কেন?
তিনা : আসলে সুবর্ণা মুস্তাফার অভিনয় আমার খুব ভাল লাগত।
রিয়াজ : আচ্ছা তোমার প্রথম মডেলিংক কোনটি?
তিনা : সানসিল্ক শ্যাম্পুর একটা বিজ্ঞাপন। সেখানে গান ছিল জলে ভাসা পদ্ম আমি ...। আচ্ছা তোমার প্রিয় অভিনেতা কে?
রিয়াজ : আসলে আমাদের অভিনয় শিল্পীরা সবাই ভাল অভিনয় করে। সিনিয়র সবাইকেই ভাল লাগে। আমার সময়িক যারা, তারাও খুব ভাল অভিনয় করছে।
তিনা : শাকিবকে কেমন লাগে?
রিয়াজ : ভালো লাগে।
তিনা : তাহলে যে মানুষ বলে তোমার আর সাকিবের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক নেই।
রিয়াজ : শাকিব তো মিডিয়াতে আমার ছোট। ওর সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ ভালর তো কিছু নেই। ও অনেক পারিশ্রমিক নিয়ে অভিনয় করে এটা ওর এক ধরনের যোগ্যতা।
তিনা : তুমিও তো অভিনয় কর। তাহলে তুমি কেন বেশি পারিশ্রমিক নাও না।
রিয়াজ : ও চায় বেশি পারিশ্রমিক আর আমি চাই একজন ভালমানের অভিনেতা হতে। এখানেই তফাৎটা।
তিনা : মানুষ তো এও বলে যে তুমি ভাল অভিনয় করতে পার না।
রিয়াজ : আমার অভিনয় জীবনে ১২০টি ছবি করেছি। ইতিহাস খুঁজে দেখলেই দর্শক বুঝবে অভিনয় কেমন করেছি।
তিনা : আচ্ছা, তুমি বাবু নিতে চাও না কেন?
রিয়াজ : তুমি তো নিজেই বাবু। তোমার বাবু হলে তাকে দেখাশুনা করবে কে?
তিনা : তুমি ছবি পরিচালনা করবে কী?
রিয়াজ : তোমার অভিনীত ছবির পরিচালক হতে চাই।
তিনা : আচ্ছা তোমার মনে আছে আমাদের প্রথম দেখা কোথায় হয়েছিল?
রিয়াজ : সে স্মৃতি কি ভুলা যায়। ২০০৬ সালে বিনোদন বিচিত্রা ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতায় আমাকে একজন বিচারক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
তিনা : আমিও আমন্ত্রিত অতিথি ছিলাম। কারণ আমি বিনোদন বিচিত্রা ফটোসুন্দরী ২০০৩ এর বিজয়ী প্রতিযোগী ছিলাম।
রিয়াজ : তা ঠিক। তবে তোমার সঙ্গে তো আমার দেখাই হতো না। যা হতো ফোনে কথা বলা। আচ্ছা তুমি সে দিন খুব বেশি রেগে গিয়েছিলে?
তিনা : তুমিই বল। আমার কি রাগ করাটা অন্যায় হয়েছিল। তোমাকে ফোন দেই ধরো না। এরপর মোবাইল বন্ধ। তবে সেদিনই প্রথম অনুভব করেছিলাম আমি তোমাকে ভালাবাসি। তুমি কিন্তু আমার সঙ্গে প্রথম দেখা করেছিলে একগুছ লাল গোলাপ নিয়ে।
রিয়াজ : আচ্ছা, তুমি যে এতক্ষণ পর্যন্ত বক বক করলে তাতে আমার কত ক্ষতি হয়েছে জান?
তিনা : ক্ষতি! আমি আবার তোমার কি ক্ষতি করলাম।
রিয়াজ : আমার অফিসে ইয়েস কপর্োশেনে অনেক কাজ আছে।
তিনা : খোদা হাফেজ। আমার জন্য চকলেট নিয়ে এসো কিন্তু।

এসএ গেমস ক্রিকেটে এবারই প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ক্রিকেট। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৬ রানে হারিয়ে প্রথমবারেই সোনা জিতে ইতিহাসের অংশ হয়ে গেল বাংলাদেশ। নিজেদের মাটিতে এমন জয়ে উৎসব তো হবেই! বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১: ২০ ওভারে ১৫৭/৭ (আনামুল ৪৩, রনি ১২, মিঠুন ৩৭, সাব্বির ২০, নাসির ১৪, জুবায়ের ১১, আরিফ ১৪*, আসিফ ০, সানজামুল ০*; তিশারা ২/৩৫, পাথিরানা ২/২১)। শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-২১: ১৯.৫ ওভারে ১৫১ (লাহিরু ৩৯; সাব্বির ৪/৩১, নাসির ২/৩০, শুভাশিস ১/২৪, আসিফ ১/২১)। ফল: বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ দল ৬ রানে জয়ী।
তামিমের ঝড় ব্যাটিং আর জুনায়েদের দেখে শুনে খেলার নীতিতে কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ।
বুধবার, ২৭ জানুয়ারি ২০১০, ১৪ মাঘ ১৪১৬

খুব তারাতারি অপর ওপেনার ইমরুল কায়েস আউট হয়ে গেলেও তামিম ইকবাল নিজের আক্রমনাত্মক খেলা থেকে সরে দাঁড়াননি একবারও, মাত্র৩৯ বলে করেন ৫০ আর ১০১ বলে করেন ১০০। সেঞ্চুরির পরও একি ভঙ্গিমায় খেলে চলেছেন তিনি। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তামিমের সংগ্রহ ১৪২, দাঁড়িয়ে আছেন ১৫০ রানের দোরগোড়ায়। অন্যদিকে জুনায়েদ সিদ্দিকী ঠাণ্ডা মাথায় সংগ দিয়ে যাচ্ছেন তাকে, ১২১ বলে করেছেন ৫১। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ দুজনের পার্টনারশিপে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ২০৭। ৫৪৪ রানের পাহার প্রমান ইনিংস না করলে ভারতের বিপক্ষে এতক্ষনে ভালোই ঘুরে দাঁড়াতো বাংলাদেশ। ভারতকে চাপে ফেলতে হলে এখনো আরো অনেক দুরই যেতে হবে বাংলাদেশ কে।