বিনোদন গ্যালারি

আমাদের ওয়েব সাইটে আরো কি কি রাখলে ও কি কি করলে সুন্দর হবে, আপনাদের মতামত কাম্য।ই-মেইল করুন bdpost7@gmail.com  

setalpm

 

এই সময়ের জনপ্রিয় মডেল শখ।প্রোফাইল

বন্ধু দিবস

অস্ট্রেলিয়া থেকে শাবনূর ফোনে বিয়ের খবর মিথ্যা বলে জানিয়েছেন।

ভালোবাসার সংজ্ঞা

যেখানেই স্বাধীনতার শত্রু সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলুন
স্বাধীনতা শব্দটার মানে কি ?

ভালবাসা শব্দটার মানে কি?

 

 মা দিবস 
 
যেখানেতে দেখি যাহা
মায়ের মতন আহা
একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই,
মায়ের যতন এত
আদর সোহাগ সে তো
আর কোনখানে কেহ পাইবে না ভাই।

হেরিলে মায়ের মুখ
দূরে যায় সব দুখ,
মায়ের কোলেতে শুয়ে জুড়ায় পরান,
মায়ের শীতল কোলে
সকল যাতনা ভোলে
কত না সোহাগে মাতা বুকটি ভরান।

কত করি উৎপাত
আব্দার দিন রাত,
সব স’ন হাসি মুখে, ওরে সে যে মা!
আমাদের মুখ চেয়ে
নিজে র’ন নাহি খেয়ে,
শত দোষে দোষী তবু মা তো ত্যাজে না।...”
(মা, কাজী নজরুল ইসলাম)“

শুভ নববর্ষ ১৪১৭ | সবাইকে জানাই অনেক অনেক প্রীতি ও শুভেচ্ছা | পরিবারের সকলে মিলে ভালো থাকুন, আনন্দে ভরে উঠুন সবাই, আগামী নতুন বছর হোক নতুন আশায় নতুন উৎসাহে ভরা… এগিয়ে চলুন সবাই, এগিয়ে চলুক বাংলাদেশ!

এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ
তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক
যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি,
অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক।
মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা
রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ
মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক।

বৈশাখী মেলা

 


 

 

 

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রধান সমস্যা জনসংখ্যা বৃদ্ধি

 

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করল গ্রেটার ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ ম্যারিল্যান্ডে

একুশ মানে-
মুক্ত মায়া
স্বপ্ন ছায়া।
একুশ মানে-
মায়ের মুখ
খোকার সুখ।
একুশ মানে-
গলপো বলা
এগিয়ে চলা।
একুশ মানে-
পাখির ডানা
হার না মানা।
একুশ মানে-
প্রাণের টান
আমার গান।

 

 

একুশ মানে
মাথা নত না করা ।
একুশ মানে
অধিকার ছিনিয়ে নেয়া ।

একুশ—
আমার মা;
মাকে মা ডাকতে পারা ।
একুশ—
আমার বাবার দেয়া স্নেহের চুম্বন ।
একুশ—
আমার বোনের অশ্রুসিক্ত ক্রন্দন ।
একুশ—
আমার ভাইয়ের রক্ত;
সালাম, রফিক, বরকতের রক্ত ।

একুশ—
তোমার-আমার কথায়,
প্রাণের কথায় ।
একুশ—
তোমার-আমার ব্যথায়,
সইতে না পারা ব্যাথায় ।
একুশ—
তোমার-আমার সুখে,
তোমার-আমার দুখে ।
একুশ—
তোমার-আমার প্রেমে,
ভালোবাসায় ।

একুশ—তোমার-আমার সপ্নে,
তোমার-আমার চেতনায় ।

 

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/02/890_I-LOVE-YOU.gif

এটা হয়তো বা আধুনিক যুগের শহর কেন্দ্রিক ভালবাসার একক। তাই এটা সার্বজনীন এককের মর্যাদা পেতে পারে না।
ভালবাসার একক একটাই  হতে পারে, সেটা হলো বিশ্বাস।

  

নিজেই গান গাইবেন শিশুশিল্পী দীঘি..

 

 তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

 

 

জাতীয় পতাকাঃ

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। এমাসেই আমাদের পবিত্র জাতীয় পতাকার ব্যাবহার খুব বেশী। জাতীয় পতাকা একটি দেশের জাতীয়তা বহন করে। বহির্বিশ্বে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। আর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাতো রক্তার্জিত। তাই এর মূল্য অনেক অনেক বেশি। জাতীয় পতাকা তৈরি ও ব্যবহারে কিছু বিধিমালা রয়েছে। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো-

জাতীয় পতাকার রঙঃ
আমাদের জাতীয় পতাকার রঙ উজ্জ্বল ঘন সবুজের মাঝেখানে লাল বৃত্তটি স্বাধীনতার নতুন সূর্যের প্রতীক। সবুজ অংশটি তারুণ্যের উদ্দীপনা আর গ্রামবাংলার বিস্তৃত সবুজ পরিবেশের প্রতীক।

জাতীয় পতাকা তৈরির নিয়মঃ
জাতীয় পতাকা হবে আয়তাকার।
পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হবে ১০ঃ৬।

পতাকার মাঝে লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ হবে পতাকার দৈর্ঘ্যরে ৫ ভাগের ১ ভাগ।
পতাকার দৈর্ঘ্যকে সমান ১০ ভাগে ভাগ করতে হবে।
পতাকার প্রস্থকে সমান ২ ভাগে ভাগ করতে হবে।
প্রত্যেক ভাগকে ১ একক ধরে হিসাব করতে হবে।
পতাকার দৈর্ঘ্যরে ডান দিকে সাড়ে পাঁচ একক ও বামে সাড়ে চার একক রেখে লম্বা টানতে হবে।
প্রস্থকে ভাগ করা রেখার সাথে এই লম্ব যেখানে মিলবে সেটাই হবে লাল বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দু।

আকারঃ
বেসরকারি ও সরকারি ভবনে উড্ডয়নের জন্য তিনটি ভিন্ন মাপের পতাকা ব্যবহার করা যাবে ভবনের আকার আয়তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে।
দৈর্ঘ্যে ৩.০৫ মিটার বা ১০ ফুট, প্রস্থে ১.৮৩ মিটার বা ৬ ফুট
দৈর্ঘ্যে ১.৫২ মিটার বা ৫ ফুট, প্রস্থে ০.৯২ মিটার বা ৩ ফুট
দৈর্ঘ্যে ০.৭৬ মিটার বা ২.৫ ফুট, প্রস্থে ০.৪৫ মিটার বা ১.৫ ফুট

নিম্নে বর্ণিত দুই প্রকার পতাকা গাড়ির জন্য ব্যবহার করা যাবেঃ
দৈর্ঘ্যে ০.৩৮ মিটার বা ১৫ ইঞ্চি, প্রস্থে ০.২২ মিটার বা ৯ ইঞ্চি
দৈর্ঘ্যে ০.২৫ মিটার বা ১০ ইঞ্চি, প্রস্থে ০.১৫ মিটার বা ৬ ইঞ্চি

ব্যবহারবিধিঃ
পতাকা অবশ্যই সঠিক রঙে ও মাপে তৈরি করতে হবে। জাতীয় পতাকা সকল সরকারী বেসরকারী /উল্যেখযোগ্য ভবন ছাড়াও কোনো যানবাহনের সামনে ওড়াতে পারবেন, পেছনে বা মাঝখানে ওড়ানো যাবে না। যদি মিছিলে জাতীয় পতাকা ব্যবহৃত হয় তবে তা প্রথম সারির মাঝে বা ডানে রাখতে হবে। নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট স্থানেই কেবল পতাকা ওড়ানো যাবে। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পতাকা ওড়ানো যাবে। জাতীয় পতাকা শিক্ষা, ব্যবসা, বাণিজ্যে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। সিনেমা হলে ঙ্কিম্বা কোন অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনকালে দাঁড়িয়ে সম্মান জানাতে হবে।

 

 

Kaniz Fatima

 

Urmi Ahsan.

 

Nafis Saleh Sadik,

 

Acttresse Anika Kabir Shokh.

 

Acttresse .

 

Acttress .

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

                 

                             

 

 

 

 

    

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


 

গানভক্ত
প্রথম বন্ধুঃ জানিস, আমাদের বাসার সবাই বাথরুমে গান গায়!
দ্বিতীয় বন্ধুঃ স-বা-ই ?
প্রথম বন্ধুঃ সবাই, চাকর-বাকর পর্যন্ত।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ তোরা তাহলে সবাই খুব গানের ভক্ত!
প্রথম বন্ধুঃ দূর, তা নয়, আসলে আমাদের বাথরুমের ছিটকিনিটা নষ্ট তো, তাই।

 

গরু
স্যার ছাত্রকে প্রশ্ন করছে।
স্যারঃ মিঠু, বলতো গরু আমাদের কি দেয়?
মিঠুঃ গরু? গরু আমাদের গুঁতো দেয় স্যার!!
সংগ্রহে: জয়, রংপুর।

 

লেখাপড়া
গৃহশিক্ষকঃআমার সঙ্গে সঙ্গে বল, লেখাপড়া করে যে গাড়ি-ঘোড়া চড়ে সে।
ছাত্রঃ স্যার, এই কথাটা ঠিক না।
শিক্ষকঃ কেনো?
ছাত্রঃ কারন, আপনি তো অনেক লেখাপড়া করেছেন! তাহলে আপনি রোজ পায়ে হেঁটে আমাকে পড়াতে আসেন কেন?
সংগ্রহে: মাহফুজ, শেরেবাংলানগর, ঢাকা।

 

 বুদ্ধিমান
ম্যানেজারঃ তুমি নাকি আলমারির চাবি আবারও হারিয়েছ?
কেরানিঃ জ্বী স্যার।
ম্যানেজারঃ তুমি চাবি হারাও বলেই, তোমাকে এবার দুটো চাবিই দিয়েছিলাম।
কেরানিঃ দুটো চাবি হারায়নি স্যার। একটা হারিয়েছে, আরেকটা আমি আগেই বুদ্ধি করে আলমারিতে ঢুকিয়ে রেখেছি।
সংগ্রহে: মাহফুজ, শেরেবাংলানগর, ঢাকা।

 

 

দেশ নেত্রী খালেদা জিয়ার জন্ম দিন

১) উনি ১৯৪৪ সালের ৪ ই আগষ্ট প্রথম এই পৃথিবীতে প্রথম আগমন করেন । তা তিনি তার মেরিজ সার্টিফিকেটে উল্ল্যাখ করেছেন ।

২) এর পর ১৫ ই আগষ্ট ১৯৪৬ সালে আবার তিনি এই পৃথিবীতে আগমন করেন ( কবে কিভাবে পৃথিবী থেকে পিরে গিয়েছিলেন তা জানা যায়নি ) তা তিনি তআর ভোটার রেজিষ্টারে উল্ল্যেখ করেছেন ।

৩) এর মাত্র ২০ দিন পর ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ তিনি আবার পৃথিবীতে পদার্পন করেন বলে তার এস এস সি'র সার্টিফিকেটে উল্ল্যেখ করেন( যদিও জাতি জানে খালাম্মা জিয়া এইট পাশ )।

৪) এর পরের বছর অর্থ্যাৎ ১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্ট তিনি আবার এই পৃথিবীকে ধন্য করতে আগমন করেন। তা তিনি তার প্রেস সেক্রেটারির মাধ্যমে প্রেসকে জানিয়েছিলেন ।

৫) এর ৪ দিন পর অর্থ্যাৎ ১৯৪৭ সালের ১৯ই আগষ্ট  এই মহামানবীএই পৃথিবীতে শেষবারেরমত আগমন করেন বলে ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ রেজিষ্টারে উল্ল্যেখ করেন ।

 

খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট নয়। তার জন্ম ১৯৪৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। ১৯৬০ সালে তিনি দিনাজপুর গার্লস স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করার কথা বলা হলেও আসলে তিনি ১৯৬১ সালে ওই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হন। দিনাজপুর সরকারি উচ্চবালিকা বিদ্যালয়ের রেকর্ডপত্র ঘেঁটে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

দিনাজপুর সরকারি উচ্চবালিকা বিদ্যালয়ের রেকর্ডপত্র ঘেঁটে দেখা যায় : খালেদা খানম, পিতা মোহাম্মদ এস্কেন্দার, সাকিন মুদিপাড়া, থানা কোতোয়ালি, জেলা দিনাজপুর। ১৯৬১ সালে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় দিনাজপুর কেন্দ্রের দিনাজপুর সদর গার্লস হাইস্কুল থেকে অংশ নেন এবং পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। তার পরীক্ষার রোল নম্বর ছিল দিন-এফ-৭৯২। পরীক্ষার নম্বরপত্র থেকে দেখা যায়, তিনি ওই পরীক্ষায় ইংরেজি প্রথমপত্রে ২৬, দ্বিতীয়পত্রে ১৫, বাংলা প্রথমপত্রে ৩৮, দ্বিতীয়পত্রে ৩২, গণিতে ৫০, ইতিহাসে ১০, ভূগোলে ২০, ধর্মে ৪২ এবং ঐচ্ছিক বিষয়ে ১৩ নম্বর পান। নম্বরপত্রের ফলাফলের ঘরে 'অকৃতকার্য' উল্লেখ করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই সময়কার এক প্রবীণ শিক্ষিক বলেছেন, খালেদা ১৫ বছর বয়সে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিয়েছেন। তার পিতা মোহাম্মদ এস্কেন্দার নিজে এসে তার ম্যাট্রিক পরীক্ষার ফরম পূরণ করে দিয়েছিলেন। জন্ম-তারিখ ৫/০৯/১৯৪৬ইং তার পিতাই ফরম পূরণ করেছিলেন।