বিনোদন গ্যালারি

আমাদের ওয়েব সাইটে আরো কি কি রাখলে ও কি কি করলে সুন্দর হবে, আপনাদের মতামত কাম্য।ই-মেইল করুন bdpost7@gmail.com  

setalpm

 

এই সময়ের জনপ্রিয় মডেল শখ।প্রোফাইল

বন্ধু দিবস

অস্ট্রেলিয়া থেকে শাবনূর ফোনে বিয়ের খবর মিথ্যা বলে জানিয়েছেন।

ভালোবাসার সংজ্ঞা

যেখানেই স্বাধীনতার শত্রু সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলুন
স্বাধীনতা শব্দটার মানে কি ?

ভালবাসা শব্দটার মানে কি?

 

 মা দিবস 
 
যেখানেতে দেখি যাহা
মায়ের মতন আহা
একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই,
মায়ের যতন এত
আদর সোহাগ সে তো
আর কোনখানে কেহ পাইবে না ভাই।

হেরিলে মায়ের মুখ
দূরে যায় সব দুখ,
মায়ের কোলেতে শুয়ে জুড়ায় পরান,
মায়ের শীতল কোলে
সকল যাতনা ভোলে
কত না সোহাগে মাতা বুকটি ভরান।

কত করি উৎপাত
আব্দার দিন রাত,
সব স’ন হাসি মুখে, ওরে সে যে মা!
আমাদের মুখ চেয়ে
নিজে র’ন নাহি খেয়ে,
শত দোষে দোষী তবু মা তো ত্যাজে না।...”
(মা, কাজী নজরুল ইসলাম)“

শুভ নববর্ষ ১৪১৭ | সবাইকে জানাই অনেক অনেক প্রীতি ও শুভেচ্ছা | পরিবারের সকলে মিলে ভালো থাকুন, আনন্দে ভরে উঠুন সবাই, আগামী নতুন বছর হোক নতুন আশায় নতুন উৎসাহে ভরা… এগিয়ে চলুন সবাই, এগিয়ে চলুক বাংলাদেশ!

এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ
তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক
যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি,
অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক।
মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা
রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ
মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক।

বৈশাখী মেলা

 


 

 

 

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রধান সমস্যা জনসংখ্যা বৃদ্ধি

 

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করল গ্রেটার ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ ম্যারিল্যান্ডে

একুশ মানে-
মুক্ত মায়া
স্বপ্ন ছায়া।
একুশ মানে-
মায়ের মুখ
খোকার সুখ।
একুশ মানে-
গলপো বলা
এগিয়ে চলা।
একুশ মানে-
পাখির ডানা
হার না মানা।
একুশ মানে-
প্রাণের টান
আমার গান।

 

 

একুশ মানে
মাথা নত না করা ।
একুশ মানে
অধিকার ছিনিয়ে নেয়া ।

একুশ—
আমার মা;
মাকে মা ডাকতে পারা ।
একুশ—
আমার বাবার দেয়া স্নেহের চুম্বন ।
একুশ—
আমার বোনের অশ্রুসিক্ত ক্রন্দন ।
একুশ—
আমার ভাইয়ের রক্ত;
সালাম, রফিক, বরকতের রক্ত ।

একুশ—
তোমার-আমার কথায়,
প্রাণের কথায় ।
একুশ—
তোমার-আমার ব্যথায়,
সইতে না পারা ব্যাথায় ।
একুশ—
তোমার-আমার সুখে,
তোমার-আমার দুখে ।
একুশ—
তোমার-আমার প্রেমে,
ভালোবাসায় ।

একুশ—তোমার-আমার সপ্নে,
তোমার-আমার চেতনায় ।

 

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/02/890_I-LOVE-YOU.gif

এটা হয়তো বা আধুনিক যুগের শহর কেন্দ্রিক ভালবাসার একক। তাই এটা সার্বজনীন এককের মর্যাদা পেতে পারে না।
ভালবাসার একক একটাই  হতে পারে, সেটা হলো বিশ্বাস।

  

নিজেই গান গাইবেন শিশুশিল্পী দীঘি..

 

 তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

 

 

জাতীয় পতাকাঃ

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। এমাসেই আমাদের পবিত্র জাতীয় পতাকার ব্যাবহার খুব বেশী। জাতীয় পতাকা একটি দেশের জাতীয়তা বহন করে। বহির্বিশ্বে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। আর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাতো রক্তার্জিত। তাই এর মূল্য অনেক অনেক বেশি। জাতীয় পতাকা তৈরি ও ব্যবহারে কিছু বিধিমালা রয়েছে। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো-

জাতীয় পতাকার রঙঃ
আমাদের জাতীয় পতাকার রঙ উজ্জ্বল ঘন সবুজের মাঝেখানে লাল বৃত্তটি স্বাধীনতার নতুন সূর্যের প্রতীক। সবুজ অংশটি তারুণ্যের উদ্দীপনা আর গ্রামবাংলার বিস্তৃত সবুজ পরিবেশের প্রতীক।

জাতীয় পতাকা তৈরির নিয়মঃ
জাতীয় পতাকা হবে আয়তাকার।
পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হবে ১০ঃ৬।

পতাকার মাঝে লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ হবে পতাকার দৈর্ঘ্যরে ৫ ভাগের ১ ভাগ।
পতাকার দৈর্ঘ্যকে সমান ১০ ভাগে ভাগ করতে হবে।
পতাকার প্রস্থকে সমান ২ ভাগে ভাগ করতে হবে।
প্রত্যেক ভাগকে ১ একক ধরে হিসাব করতে হবে।
পতাকার দৈর্ঘ্যরে ডান দিকে সাড়ে পাঁচ একক ও বামে সাড়ে চার একক রেখে লম্বা টানতে হবে।
প্রস্থকে ভাগ করা রেখার সাথে এই লম্ব যেখানে মিলবে সেটাই হবে লাল বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দু।

আকারঃ
বেসরকারি ও সরকারি ভবনে উড্ডয়নের জন্য তিনটি ভিন্ন মাপের পতাকা ব্যবহার করা যাবে ভবনের আকার আয়তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে।
দৈর্ঘ্যে ৩.০৫ মিটার বা ১০ ফুট, প্রস্থে ১.৮৩ মিটার বা ৬ ফুট
দৈর্ঘ্যে ১.৫২ মিটার বা ৫ ফুট, প্রস্থে ০.৯২ মিটার বা ৩ ফুট
দৈর্ঘ্যে ০.৭৬ মিটার বা ২.৫ ফুট, প্রস্থে ০.৪৫ মিটার বা ১.৫ ফুট

নিম্নে বর্ণিত দুই প্রকার পতাকা গাড়ির জন্য ব্যবহার করা যাবেঃ
দৈর্ঘ্যে ০.৩৮ মিটার বা ১৫ ইঞ্চি, প্রস্থে ০.২২ মিটার বা ৯ ইঞ্চি
দৈর্ঘ্যে ০.২৫ মিটার বা ১০ ইঞ্চি, প্রস্থে ০.১৫ মিটার বা ৬ ইঞ্চি

ব্যবহারবিধিঃ
পতাকা অবশ্যই সঠিক রঙে ও মাপে তৈরি করতে হবে। জাতীয় পতাকা সকল সরকারী বেসরকারী /উল্যেখযোগ্য ভবন ছাড়াও কোনো যানবাহনের সামনে ওড়াতে পারবেন, পেছনে বা মাঝখানে ওড়ানো যাবে না। যদি মিছিলে জাতীয় পতাকা ব্যবহৃত হয় তবে তা প্রথম সারির মাঝে বা ডানে রাখতে হবে। নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট স্থানেই কেবল পতাকা ওড়ানো যাবে। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পতাকা ওড়ানো যাবে। জাতীয় পতাকা শিক্ষা, ব্যবসা, বাণিজ্যে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। সিনেমা হলে ঙ্কিম্বা কোন অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনকালে দাঁড়িয়ে সম্মান জানাতে হবে।

 

 

Kaniz Fatima

 

Urmi Ahsan.

 

Nafis Saleh Sadik,

 

Acttresse Anika Kabir Shokh.

 

Acttresse .

 

Acttress .

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

                 

                             

 

 

 

 

    

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


 

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারঃ ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।বর্তমান শহীদ মিনারের স্থপতিঃ হামিদুর রহমান। নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিলো ১৯৫৬ সালে।

সর্বোচ্চ শহীদ মিনারঃ বাংলাদেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। উচ্চতা ৭১ ফুট, ব্যাস ৫২ ফুট।

আমাদের জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মঈনুল হোসেন। স্বাধীনতার পরে সরকারীভাবে স্মৃতিসৌধটি নির্মাণের চিন্তা করা হয়। এর নকশার জন্য দেশব্যাপী এক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিলো। সর্বমোট ৫৭ টি নকশা থেকে সৈয়দ মঈনুল হোসেনের নকশাটি চুড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছিলো। 

আমাদের জাতীয় স্মৃতিসৌধ মোট সাতটি মিনার নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে মাঝের মিনারটির উচ্চতা হলো ১৫০ ফুট। সর্বমোট ১০৮ একর জায়গা নিয়ে এই স্মৃতিসৌধ গড়ে উঠেছে। স্মৃতিসৌধে অবস্থিত সাতটি মিনার বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের সাতটি পর্যায় বুঝিয়ে থাকে। এই সাতটি পর্যায় হচ্ছে ১৯৫২ -র ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬ এর ধারাবাহিক স্বাধীকারের সংগ্রাম, ১৯৬৯ এর গণঅভ্যূত্থান সবশেষে ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধ।

জাতীয় স্মৃতিসৌধের সাতটি মিনার আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাতটি পর্যায়কে বুঝিয়ে থাকে। এই সাত সংখ্যাটি আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। ৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। এই সালটির দুটি সংখ্যার যোগফল ৫+২= ৭। আবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের ০৭ তারিখেই। আমাদের বিজয়দিবস হচ্ছে- ১৬ ডিসেম্বর। এই তারিখের দুটি সংখ্যার যোগফলও কিন্তু ১+৬= ৭

 

 

 

 

খালেদা জিয়ার বাড়ির শুনানি নিয়ে হাইকোর্টে হৈচৈ

খালেদা জিয়ার ক্যান্টনমেন্টের বাড়ির মামলার শুনানি  নিয়ে নাটকীয় ঘটনা ঘটেছে। ১১ এপ্রিল বিচারপতি মো. ইমান আলী এবং বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের কোর্টে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা মামলার শুনানি ২ মাস পেছানোর আবেদন করলে এই ঘটনা ঘটে। তবে নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে শুনানি একদিন পিছিয়ে আগামী ১৩ এপ্রিল মঙ্গলবার নির্ধারণ করেছে হাইকোর্ট। মামলার শুনানি দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে শুরু হলে খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমদ আদালতকে জানান, খালেদা জিয়া বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকায় তিনি আইনজীবীদের সময় দিতে পারছেন না। তাছাড়া এতগুলো মামলা থাকতে এই মামলার শুনানি এত দ্রুত করার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। তাই মামলার শুনানি কার্যক্রম ২ মাস পিছিয়ে দেয়া হোক।
এসময় এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বিএনপি আইনজীবীদের সময় প্রার্থনার বিরোধিতা করে বলেন, এই মামলার শুনানি করতে খালেদা জিয়ার উপস্থিতির প্রয়োজন নেই। আইনজীবীরাও এই মামলার শুনানি করতে পারবেন। খালেদা জিয়ার বাড়িটি ১৬৫ কাঠা জমির উপর নির্মিত। এই বাড়িতে বহুতল ভবন নির্মাণ করে নিহত বিডিআর অফিসারদের পরিবারদের মাঝে বণ্টন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টে ঘোষণা দিয়েছেন। তাই দ্রুত শুনানীর প্রয়োজন। তাছাড়া এই মামলার শুনানির জন্য অনেকবার তারিখ নির্ধারণ হয়েছে। বার বার সময় প্রার্থনা করাটা শুধুমাত্র কাল ক্ষেপণের জন্য।

 

 

 

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন আজ
বুধবার, ১৭ মার্চ ২০১০, ৩ চৈত্র ১৪১৬,

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯২০ সালের এ দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন স্বাধীনতার এ মহানায়ক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্কুল জীবন থেকেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র থাকা অবস্থায়ই বৃটিশবিরোধী আন্দোলন করে কারাবরণ করেন তিনি।
 ম্যাট্রিকুলেশন পাসের পর কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নকালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হকসহ সে সময়ের প্রথম সারির রাজনৈতিক নেতাদের সান্নিধ্যে আসেন। সেই সময় থেকেই শেখ মুজিবুর রহমান নিজেকে ছাত্র-যুব নেতা হিসেবে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির মাধ্যমে ভারত ও পাকিসত্মান আলাদা হলেও শেখ মুজিবুর রহমান উপলব্ধি করতে থাকেন বাঙালি প্রকৃৃত স্বাধীনতা পায়নি। দেশে রাজনৈতিক ধারা চাঙ্গা ও ছাত্রসমাজকে রাজনৈতিকভাবে সচেতন করে তোলার লড়্গ্যে ১৯৪৮ সালে গড়ে তোলেন ছাত্রলীগ। ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ড়্গমতাসীন মুসলিম লীগ সরকারের বিরম্নদ্ধে প্রথম বিরোধী দল আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়। তরম্নণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমে যুগ্ম সম্পাদক পরে সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি নির্বাচিত হন। বঙ্গবন্ধু ১৯৪৮ সাল থেকে ’৫২ সাল পর্যনত্ম মহান ভাষা আন্দোলন, ’৬২-এর শিড়্গা আন্দোলন এবং পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ প্রধান হিসেবে ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কারারম্নদ্ধ হন তিনি। এরপর গণঅভ্যুত্থানে কারামুক্ত হন। তখন ছাত্রজনতা তাকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে। ’৭০-এর নির্বাচনে ঐতিহাসিক ছয় দফার পড়্গে দেশবাসীর অকুণ্ঠ সমর্থন পেয়ে আওয়ামী লীগ পাকিসত্মানের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে অভিষিক্ত হয়। অথচ কুচক্রীরা ড়্গমতা হসত্মানত্মরে টালবাহানা করায় তিনি শুরম্ন করেন স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন। নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে সেই আন্দোলন স্বাধিকার আন্দোলনে রূপ পায়। ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে
সারা দেশে শুরম্ন করেন অসহযোগ আন্দোলন। ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ গণজমায়েতে তার ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। তিনি বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেবো, এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইন্‌শাআলস্নাহ’। বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণে সারা দেশে শুরম্ন হয় অসহযোগ আন্দোলন। প্রস্তুতি চলে মুক্তিযুদ্ধের। ২৫শে মার্চ কালো রাতে পাকিসত্মানী হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। নির্বিচারে চলে গণহত্যা। ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডের বাসভবন থেকে ওয়ারলেসের মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পরে ৩২ নম্বরের বাসভবন থেকেই গ্রেপ্তার করে তাকে পশ্চিম পাকিসত্মানের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামে মধ্য দিয়ে বাঙালি অর্জন করে মহান স্বাধীনতা। ১৬ই ডিসেম্বর সূচিত হয় বাঙালির গৌরবময় বিজয়। ১৯৭২ সালের ১০ই জানয়ারি পাকিসত্মানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করে বঙ্গবন্ধু স্বাধীন স্বভূমে ফিরে আসেন। সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রে দায়িত্বভার গ্রহণ করেই যুদ্ধবিধ্বসত্ম দেশের পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনে আত্মনিয়োগ করেন তিনি। ১৯৭৫ সালে জাতির অর্থনৈতিক মুক্তির লড়্গ্যে জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তবে এ কর্মসূচি ঘোষণার কিছু দিনের মধ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ঘাতকের হাতে সপরিবারে নিহত হন তিনি। ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী জাতীয় শিশুদিবস হিসেবে পালন করছে সরকার। আজ সরকারি ছুটি। বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশুদিবস উপলড়্গে প্রেসিডেন্ট মো. জিলস্নুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। তিনি স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যে ভূমিকা রেখে গেছেন বাঙালি জাতি তা চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তার নাম বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাড়্গরে লেখা থাকবে। বাণীতে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। শিশু দিবস উপলড়্গে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী দেশের সব শিশুকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দিবসটি উপলড়্গে সরকারিভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল সাড়ে ৬টায় ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন এবং সারা দেশে দলের সব ইউনিট কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং সকাল সাড়ে ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ। বিকাল ৩টায় হবে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন। এছাড়া ওইদিন সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল টুঙ্গিপাড়া যাবেন। তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এছাড়াও মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। সারা দেশে দলীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এক বিবৃতিতে ঐতিহাসিক ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবস পালন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া বাংলা একাডেমী, শিশু একাডেমীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পড়্গ থেকেও বিসত্মারিত কর্মসূচি পালন করা হবে।

 

 

আজ ২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
রোববার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ৯ ফাল্গুন ১৪১৬
ইতিহাসের পাতা থেকে: ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হয়ে পৃথিবীর বুকে জন্ম নেয় প্রায় ১৬০০ মাইল দুরে অবস্থিত, ও ভারত দ্বারা বিচ্ছিন্ন্ পাকিস্তানের দুটি অংশ, পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। এই বিভক্তির পেছনে কাজ করেছে মোহাম্মদ জিন্নাহর ধর্মভিত্তিক ”দ্বিজাতিত্ত” যা ভাষা ও সংস্কৃতিকে বিবেচনায় না রেখে শুধু মাত্র ধর্মের মিলকেই জাতি গঠনের জন্যে গুরুত্বপুর্ন বলে বিবেচনা করে। নবগঠিত পাকিস্তানের অধিকাংশের বাস ছিল পূর্ব পাকিস্তান এবং তাদের মাতৃভাষা বাংলা। এই ভাষার গৌরবময় ঐতিহ্য হাজার বছরেরও বেশী বছর ধরে রয়েছে। বাংলা উন্নত সংস্কৃতিও হাজার বছরের পুরোন যার সাথে পশ্চিম পাকিস্তানের সংস্কৃতির সাথে অল্পই মিল রয়েছে। ১৯৫২ সালে যখন পাকিস্তানের নব্য ঔপনিবেশিক উদ্ধত শাষকেরা হুন্কার দেয়, ’ উর্দ্দু, শুধু উর্দ্দু ই হবে সমগ্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ পুর্ব পাকিস্তানের মানুষেরা বাংলা ভাষাকে প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ফেটে পরে যা পরবর্তীতে ভাষা আন্দোলনে রুপ নেয়। ভাষার দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে সমাবেশ নিষিদ্ধ করে ঢাকায় ঘোষিত
হয়েছিল ১৪৪ ধারা। ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভায় ১৪৪ ধারা না ভাঙারই সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু পরদিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় সমবেত বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়। ১৪৪ ধারা ভেঙে ১০ জনের এক একটি দল মিছিল নিয়ে এগিয়ে যায় সামনের দিকে। কণ্ঠে সবার স্লোগান: রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। পুলিশ বাধা দেয় সে মিছিলে। শুরু হয় লাঠিপেটা, টিয়ার গ্যাস। এবং একসময় গুলি। গুলিতে লুটিয়ে পড়েন রফিক, বরকত, জব্বার, সালামসহ অনেকে। ঢাকায় পরপর আরও দুই দিন রক্ত ঝরে। একুশের আত্মত্যাগের পর আর বাংলা ভাষার দাবিকে ঠেকিয়ে রাখতে পারেনি পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসকেরা। বাঙালির এর পরের ইতিহাস ধারাবাহিক সংগ্রাম আর বিজয়ের, যার চূড়ান্ত অর্জন স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়। প্রত্যেক জাতিকে তাদের মাতৃভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় সচেতন করে তুলতে একুশে ফেব্রুয়ারিকে বেছে নিয়েছে জাতিসংঘ। এবার একাদশ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিনটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘সংস্কৃতির পুনর্বন্ধন’। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেসকো) ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে ঘোষণা করে। রক্তরাঙা ফুলে শোধ রক্তের ঋণ: ফেব্রুয়ারি এলেই লাল পলাশ ফোটে। সেই রঙের দীপ্তিতে বাঙালি যেন নতুন করে নিজেকে চিনে নেয়। ফাল্গুনের হু হু বাতাস মনে করিয়ে দেয় ভাষাশহীদের স্মৃতি।  রাতে ঘড়ির কাঁটা ১২টা পেরোবার সঙ্গে সঙ্গে সবার গন্তব্য হয়ে উঠেছে শহীদ মিনার। সব কণ্ঠে বেজে উঠেছে একটিই গান...আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/আমি কি ভুলিতে পারি..। শহীদ মিনারগুলো ফুলে ফুলে ছেয়ে যেতে,,,,,,,,,,,,,,,,

 

১৫ আগস্টকে দখল করতে আর কী কী ইতরামি করা যেতে পারে?
-আরিফ জেবতিক
রোববার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ২৫ মাঘ ১৪১৬

পারিবারিকভাবে আমাদের মাঝে বিএনপির সাপোর্টার কম ছিল না । যে মহল্লায় বেড়ে উঠেছি সেখানেও বিএনপির সমর্থকরাই সংখ্যায় অনেক বেশি ছিলেন । সুতরাং জীবনের শুরু থেকেই বিএনপি পরিমন্ডলের সাথে আমার যোগাযোগ ছিল । ছাত্র জীবনে নিজেও ছাত্রদল করেছি , মফস্বল শহরে যতোটুকু করা যায় তারা পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলে রিজভী ভাই -ইলিয়াস ভাইয়ের কাউন্সিলের আগেও অনেক খাটাখাটনি করেছি । এই দীর্ঘ সময়ে কখনোই খালেদা জিয়ার জন্মদিন যে ১৫ আগস্ট সেটা কোথাও বলা হয়েছে বলে স্মরণ করতে পারি না ।

কিন্তু পরবর্তীতে কিভাবে যেন ধীরে ধীরে খালেদা জিয়ার জন্মদিন হিসেবে ১৫ আগস্টটা মিডিয়ায় আসতে থাকল । গত কয়েক বছর তো দেখতাম ঢাকা শহরের সব বড়ো বড়ো কেকের দোকানগুলো ১৫ আগস্ট এলেই ব্যস্ত হয়ে পড়ত এমপি মন্ত্রীদের কেকের অর্ডার নিতে । মির্জা আব্বাস সাহেব নাকি একমন ওজনের বেশি কেক কেটেছিলেন একবার , সেটাও আবছা ভাবে মনে পড়ছে ।

এই হচ্ছে আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ।

আমি বলছি না যে ১৫ আগস্ট কেউ জন্মাতে পারবেন না । খালেদা জিয়ার জন্মদিনও ১৫ আগস্ট হতেই পারে ,যদিও ব্যাপারটা উনি নিজেই বোধহয় জানতেন না , অন্তত প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময়ও উনি জানতেন না যে উনার জন্মদিন ১৫ আগস্ট , উনি সেটাকে ১৯ আগস্ট হিসেবেই লিখেছিলেন ।

কিন্তু বয়েস বাড়ার সাথে সাথে উনার মনে পড়েছে যে উনার জন্মদিন আসলে ১৫ আগস্ট । হতেই পারে এটা , আমি খারাপ হিসেবে দেখি না । কিন্তু্ এটাও মনে রাখতে হবে যে ১৫ আগস্ট আমাদের জাতির জীবনে একটি বেদনাবিধূর দিন , একটি কলংকিত অধ্যায় ।

শেখ মুজিব এবং তার পরিবারের করুণ মৃত্যুতে আমি শোকগ্রস্ত না হতে পারি , কিন্তু এটা যে কলংকিত একটি পর্ব সেটাকে অস্বীকার করার কোন জো নেই ।
এরকম একটা জাতীয় দিবসে হইচই করে নিজের জন্মদিন পালনে খালেদা জিয়া এবং উনার চামচাদের উৎসাহ মনের মাঝে বমি উগলানো ঘৃণার জন্ম দেয় আমার ।

মজার ব্যাপার হচ্ছে জামাতিরা দেখছি এখন একই ভাবে ১৫ আগস্টকে তাদের দখলে নেয়ার জন্য জোটবদ্ধ চেষ্টার বাইরে আরেকটা চেষ্টা শুরু করেছে । সেটা হচ্ছে শহীদ আব্দুল মালেক দিবস!

এই বস্তুটির কথা আগে জানা ছিল না , এটা এবছরই জানতে পারলাম । ৬৯ সালে উনি মারা গিয়েছিলেন , মারা যাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চাই না , শিবির অধ্যূষিত ক্যাম্পাসগুলোতে বা শিবিরের সংস্পর্ষে যাদের অভিজ্ঞতা আছে ,তারা বিষয়টি আন্দাজ করতে পারেন । ডাকসু আয়োজিত অনুষ্ঠানে গুন্ডামি করতে গিয়ে উনার মৃত্যু হয়েছে বলে তখনকার এক ছাত্রনেতা আমাকে জানালেন আজকে । সেটা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার হতে পারে , কিন্তু শিবিরের আরো অনেক লোকের মৃত্যুর মাঝে আব্দুল মালেক হঠাৎ করে আজকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেন তার একটা সৌভাগ্যের জন্য । উনি ১৫ আগস্ট মারা গিয়েছিলেন ।

সুতরাং শিবিরের কাছে আজ হচ্ছে '' ইসলামী শিক্ষা দিবস ।" সুবহানাল্লাহ , এই দেশে ইসলামী শিক্ষা কায়েক হোক , আমার বলার কিছু নেই ।

প্রশ্ন হচ্ছে এই যে ইতরামির রাজনৈতিক সংস্কৃতি আমাদের মাঝে জন্ম নিয়েছে গত কয়বছর ধরে , এর শেষ কোথায় ?

এখন আওয়ামীলীগের একটা ১৫ আগস্ট আছে , বিএনপি'রও একটা আছে , জামাতিদেরও দেখা যাচ্ছে একটা আছে । তাহলে বাকী দলগুলো কী করবে ?

জাতীয় পার্টির জন্য একটা ১৫ আগস্ট , কমিউনিস্ট পার্টিদের জন্য একটা ১৫ আগস্ট , এলডিপি মার্কা দলগুলোর একটা ১৫ আগস্ট , ইসলামী ঐক্যজোট আর ইসলামী শাসনতন্ত্র-খেলাফত মজলিশ-চরমোনাই অলাদের ১৫ আগস্ট , নবগঠিত পিডিপি-কল্যানপার্টি-১/১১ বাস্তবায়ন পরিষদ অলাদের ১৫ আগস্ট ...এভাবে অনেকগুলো ১৫ আগস্টের প্রয়োজন পড়বে নিকট ভবিষ্যতে ।

একজন দর্শক হিসেবে আমি ভেবে পাচ্ছি না , আর কোন কোন ইতরামির মাধ্যমে সেই দিবসগুলোকে খুঁজে পাওয়া যেতে পারে ।

দেখা যাক । ভবিষ্যতই শুধু এর জবাব দিতে পারবে ।