বিনোদন গ্যালারি

আমাদের ওয়েব সাইটে আরো কি কি রাখলে ও কি কি করলে সুন্দর হবে, আপনাদের মতামত কাম্য।ই-মেইল করুন bdpost7@gmail.com  

setalpm

 

এই সময়ের জনপ্রিয় মডেল শখ।প্রোফাইল

বন্ধু দিবস

অস্ট্রেলিয়া থেকে শাবনূর ফোনে বিয়ের খবর মিথ্যা বলে জানিয়েছেন।

ভালোবাসার সংজ্ঞা

যেখানেই স্বাধীনতার শত্রু সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলুন
স্বাধীনতা শব্দটার মানে কি ?

ভালবাসা শব্দটার মানে কি?

 

 মা দিবস 
 
যেখানেতে দেখি যাহা
মায়ের মতন আহা
একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই,
মায়ের যতন এত
আদর সোহাগ সে তো
আর কোনখানে কেহ পাইবে না ভাই।

হেরিলে মায়ের মুখ
দূরে যায় সব দুখ,
মায়ের কোলেতে শুয়ে জুড়ায় পরান,
মায়ের শীতল কোলে
সকল যাতনা ভোলে
কত না সোহাগে মাতা বুকটি ভরান।

কত করি উৎপাত
আব্দার দিন রাত,
সব স’ন হাসি মুখে, ওরে সে যে মা!
আমাদের মুখ চেয়ে
নিজে র’ন নাহি খেয়ে,
শত দোষে দোষী তবু মা তো ত্যাজে না।...”
(মা, কাজী নজরুল ইসলাম)“

শুভ নববর্ষ ১৪১৭ | সবাইকে জানাই অনেক অনেক প্রীতি ও শুভেচ্ছা | পরিবারের সকলে মিলে ভালো থাকুন, আনন্দে ভরে উঠুন সবাই, আগামী নতুন বছর হোক নতুন আশায় নতুন উৎসাহে ভরা… এগিয়ে চলুন সবাই, এগিয়ে চলুক বাংলাদেশ!

এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ
তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক
যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি,
অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক।
মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা
রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ
মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক।

বৈশাখী মেলা

 


 

 

 

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রধান সমস্যা জনসংখ্যা বৃদ্ধি

 

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করল গ্রেটার ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ ম্যারিল্যান্ডে

একুশ মানে-
মুক্ত মায়া
স্বপ্ন ছায়া।
একুশ মানে-
মায়ের মুখ
খোকার সুখ।
একুশ মানে-
গলপো বলা
এগিয়ে চলা।
একুশ মানে-
পাখির ডানা
হার না মানা।
একুশ মানে-
প্রাণের টান
আমার গান।

 

 

একুশ মানে
মাথা নত না করা ।
একুশ মানে
অধিকার ছিনিয়ে নেয়া ।

একুশ—
আমার মা;
মাকে মা ডাকতে পারা ।
একুশ—
আমার বাবার দেয়া স্নেহের চুম্বন ।
একুশ—
আমার বোনের অশ্রুসিক্ত ক্রন্দন ।
একুশ—
আমার ভাইয়ের রক্ত;
সালাম, রফিক, বরকতের রক্ত ।

একুশ—
তোমার-আমার কথায়,
প্রাণের কথায় ।
একুশ—
তোমার-আমার ব্যথায়,
সইতে না পারা ব্যাথায় ।
একুশ—
তোমার-আমার সুখে,
তোমার-আমার দুখে ।
একুশ—
তোমার-আমার প্রেমে,
ভালোবাসায় ।

একুশ—তোমার-আমার সপ্নে,
তোমার-আমার চেতনায় ।

 

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/02/890_I-LOVE-YOU.gif

এটা হয়তো বা আধুনিক যুগের শহর কেন্দ্রিক ভালবাসার একক। তাই এটা সার্বজনীন এককের মর্যাদা পেতে পারে না।
ভালবাসার একক একটাই  হতে পারে, সেটা হলো বিশ্বাস।

  

নিজেই গান গাইবেন শিশুশিল্পী দীঘি..

 

 তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

 

 

জাতীয় পতাকাঃ

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। এমাসেই আমাদের পবিত্র জাতীয় পতাকার ব্যাবহার খুব বেশী। জাতীয় পতাকা একটি দেশের জাতীয়তা বহন করে। বহির্বিশ্বে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। আর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাতো রক্তার্জিত। তাই এর মূল্য অনেক অনেক বেশি। জাতীয় পতাকা তৈরি ও ব্যবহারে কিছু বিধিমালা রয়েছে। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো-

জাতীয় পতাকার রঙঃ
আমাদের জাতীয় পতাকার রঙ উজ্জ্বল ঘন সবুজের মাঝেখানে লাল বৃত্তটি স্বাধীনতার নতুন সূর্যের প্রতীক। সবুজ অংশটি তারুণ্যের উদ্দীপনা আর গ্রামবাংলার বিস্তৃত সবুজ পরিবেশের প্রতীক।

জাতীয় পতাকা তৈরির নিয়মঃ
জাতীয় পতাকা হবে আয়তাকার।
পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হবে ১০ঃ৬।

পতাকার মাঝে লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ হবে পতাকার দৈর্ঘ্যরে ৫ ভাগের ১ ভাগ।
পতাকার দৈর্ঘ্যকে সমান ১০ ভাগে ভাগ করতে হবে।
পতাকার প্রস্থকে সমান ২ ভাগে ভাগ করতে হবে।
প্রত্যেক ভাগকে ১ একক ধরে হিসাব করতে হবে।
পতাকার দৈর্ঘ্যরে ডান দিকে সাড়ে পাঁচ একক ও বামে সাড়ে চার একক রেখে লম্বা টানতে হবে।
প্রস্থকে ভাগ করা রেখার সাথে এই লম্ব যেখানে মিলবে সেটাই হবে লাল বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দু।

আকারঃ
বেসরকারি ও সরকারি ভবনে উড্ডয়নের জন্য তিনটি ভিন্ন মাপের পতাকা ব্যবহার করা যাবে ভবনের আকার আয়তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে।
দৈর্ঘ্যে ৩.০৫ মিটার বা ১০ ফুট, প্রস্থে ১.৮৩ মিটার বা ৬ ফুট
দৈর্ঘ্যে ১.৫২ মিটার বা ৫ ফুট, প্রস্থে ০.৯২ মিটার বা ৩ ফুট
দৈর্ঘ্যে ০.৭৬ মিটার বা ২.৫ ফুট, প্রস্থে ০.৪৫ মিটার বা ১.৫ ফুট

নিম্নে বর্ণিত দুই প্রকার পতাকা গাড়ির জন্য ব্যবহার করা যাবেঃ
দৈর্ঘ্যে ০.৩৮ মিটার বা ১৫ ইঞ্চি, প্রস্থে ০.২২ মিটার বা ৯ ইঞ্চি
দৈর্ঘ্যে ০.২৫ মিটার বা ১০ ইঞ্চি, প্রস্থে ০.১৫ মিটার বা ৬ ইঞ্চি

ব্যবহারবিধিঃ
পতাকা অবশ্যই সঠিক রঙে ও মাপে তৈরি করতে হবে। জাতীয় পতাকা সকল সরকারী বেসরকারী /উল্যেখযোগ্য ভবন ছাড়াও কোনো যানবাহনের সামনে ওড়াতে পারবেন, পেছনে বা মাঝখানে ওড়ানো যাবে না। যদি মিছিলে জাতীয় পতাকা ব্যবহৃত হয় তবে তা প্রথম সারির মাঝে বা ডানে রাখতে হবে। নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট স্থানেই কেবল পতাকা ওড়ানো যাবে। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পতাকা ওড়ানো যাবে। জাতীয় পতাকা শিক্ষা, ব্যবসা, বাণিজ্যে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। সিনেমা হলে ঙ্কিম্বা কোন অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনকালে দাঁড়িয়ে সম্মান জানাতে হবে।

 

 

Kaniz Fatima

 

Urmi Ahsan.

 

Nafis Saleh Sadik,

 

Acttresse Anika Kabir Shokh.

 

Acttresse .

 

Acttress .

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

                 

                             

 

 

 

 

    

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


 

 

এডভোকেট আব্দুল হামিদকে   নিউইয়র্ক জেএফকে এয়ারপোর্টে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের অভ্যর্থনা জ্ঞাপন

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারসহ বাংলাদেশের মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনার জন্য ৫ সদস্যের এক সংসদীয় প্রতিনিধি দল ১৮ এপ্রিল স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যায় ইত্তেহাদ এয়ারলাইন্সে জেএফকে এয়ারপোর্টে অবতরণ করেন। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার এডভোকেট আব্দুল হামিদের নেতৃত্বাধীন এ দল জেএফকে এয়ারপোর্টে অবতরণ করলে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা স্পিকার এডভোকেট আব্দুল হামিদকে  অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করেন। অভ্যর্থনা জ্ঞাপনকালে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, যুবলীগের নেতৃবৃন্দের মধ্যে এয়ারপোর্টে ছিলেন ড. সিদ্দিকুর রহমান, হাজী শফিকুল আলম, সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, নিজাম চৌধুরী, হাকিকুল ইসলাম খোকন, নাজমুল ইসলাম, আবুল কাশেম, শামসুদ্দিন আযাদ, তৈয়েবুর রহমান টনি, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, শ্রমিক লীগের সমন্বয়কারী আব্দুর রহিম বাদশা, শ্রমিক লীগ সেক্রেটারী শামসুল আলম, স্টেট শ্রমিক লীগের সভাপতি আজিজুল হক খোকন, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার ডা. মাসুদুল হাসান, ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন এগেইনস্ট ওয়ার ক্রাইমস এন্ড জেনাসাইডের প্রেসিডেন্ট ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, বিয়ানিবাজার মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নেতা মোজাহিদুল ইসলাম, আ.লীগ নেত্রী শাহানারা রহমান প্রমুখ।প্রতিনিধি দলে রয়েছেন আওয়ামী লীগের এমপি সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপে জলবায়ু ও পরিবেশ বিষয়ক চেয়ারম্যান সাবের হোসেন চৌধুরী, নওগাঁর এমপি এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইসরাফিল আলম এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবদুল মোমিন তালুকদার এমপি। এছাড়া স্পিকারের পিএস সম্পদ বড়ুয়া এবং সর্বদলীয় সংসদীয় দলের (এপিপিজি) সেক্রেটারি জেনারেল শিশির শীলও এ দলের সাথে নিউইয়র্কে এসেছেন। তারা ২২ এপ্রিল পর্যন্ত নিউইয়র্কে এবং ২৩ থেকে ২৭ এপ্রিল ওয়াশিংটনে অবস্থান করবেন। ৩০ এপ্রিল ঢাকার উদ্দেশ্যে প্রতিনিধি দলটির নিউইয়র্ক ত্যাগের কথা।

 

 

গত ১৪ এপ্রিল বুধবার বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাউথ জার্সির উদ্যোগে আটলান্টিক সিটির কোয়ালিটি হোটেলের বলরুমে ভিন্ন আমেজে হয়ে গেল ১ বৈশাখ ১৪১৭ বর্ষবরন

এসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সামছুদ্দীন মাহমুদের সার্বিক পরিচালনায় এবং তথ্য সম্পাদক ফারুক তালুকদারের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন এসোসিয়েশন এর সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবুল এবং সাধারন সম্পাদক নুরুন্নবী চৌধরী শামীম। ভায়োলিনের সূরে জাতীয় সংগীত বাজিয়ে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শুরু করেন আবীর। বৈশাখের নৃত্য পরিবেশন করেন আরুশা, সামিতা,শিশুশিল্পী মাহী ও পুরবী। সংগীত পরিবেশন করেন গোলাম মোস্তফা, শিলা আজিজ, ইকবাল কাফি,নিগার সুলতানা ও বাধন। অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আকর্ষনীয় অংশ ছিল শিশুদের ফ্যাশন শো।

ফ্যাশন শোতে অংশ নেয় নাজিফা, মাহী, সামিতা, অন্বী, ইরশিয়া ও রিমু। আফসানা আনজুমের পরিচালনায় ফ্যাশন শো দর্শরা উপভোগ করে এবং ব্যাপক করতালির মাধ্যমে স্বাগত জানায়। সবশেষে সংগীত নিয়ে আসেন নিউইয়র্ক থেকে আগত শিল্পী সোমা। সোমা একে একে কয়েকটি গান পরিবেশন করে মধ্য রাত পর্যন্ত দর্শকদেরকে মাতিয়ে রাখেন।এরই মধ্যে শুরু হয় বাংলার সেই ঐতিহ্যবাহী পান্তা ইলিশ ও শুটকী ভর্তা পরিবেশন। দর্শকরা বাংলার চিরায়িত পান্তা ইলিশ ও শুটকী-ভর্তার অপরুপ স্বাদ আটলান্টিক সিটিতে বসে গ্রহন করেন। অনুষ্ঠানের সাবির্ক তত্বাবধানে ছিলেন তানিম রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, এমএ করিম , মোকতাদের রহমান, সোহাগ করিম, মোঃ সিরাজ, আকবর হোসাইন, রেজাউল ইসলাম খালিদ, শাখাওয়াত হোসেন, কাজী সাইফুল, বিপ্লব, সুজন, রিগান সহ আরো অনেকে। আর সহযোগিতায় ছিলেন আফসানা, পারভীন, শিরিন, সরমী,মুক্তা ও পপি।

 

 

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এক জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৭১-এর যুদ্ধাপরাধী নর ঘাতকদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচার কার্যকরের দাবি জানালেন

বাংলাদেশ সোসাইটি অব কানেকটিকাট।কানেকটিকাটের ছায়াঘেরা ও মনোরম শহর নরওয়াকের আমেরিকান রেজিওন হলে গত ৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সোসাইটি অব কানেকটিকাটের আয়োজনে এক আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে পালিত হল ৩৯তম মহান স্বাধীনতা দিবস। অনুষ্ঠানে কানেকটিকাট ও নিউইয়র্কের প্রায় দু�শতাধিক সাংস্কৃত প্রেমি নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোর উপস্থিত ছিলেন।স্বাধীনতা দিবসের উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির সাবেক অধ্যাপক ও খাঁন টিউটোরিয়াল?স-এর স্বত্ত্বাধিকারী ড.মনসুর খাঁন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্কের বিশিষ্ট চিকিতসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. হাসান ইমাম, কানেকটিকাটের সফল ব্যবসায়ী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ মানিক, নিউইংল্যান্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ চৌধুরী এবং আপস্টেট নিউইয়র্কের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবী নুরুল আলম জাহাঙ্গীর।
অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা,কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন  ছাড়াও আকর্ষনীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে শুরুতেই পবিত্র কোরান তেলাওয়াত করেন আব্দুল বাসেত এবং গীতা পাঠ করে শোনান রুপালী দাস। স্বাধীনতা দিবসের কবিতা আবৃত্তি করেন নাজনীন সুলতানা। বাংলাদেশ সোসাইটি অব কানেকটিকাটের সভাপতি হেলাল-উল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির সাবেক অধ্যাপক ও খাঁন টিউটোরিয়াল?স-এর স্বত্ত্বাধিকারী ড.মনসুর খাঁন,নিউইয়র্কের বিশিষ্ট চিকিতসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. হাসান ইমাম,কানেকটিকাটের সফল ব্যবসায়ী বীর  মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ মানিক,নিউইংল্যান্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ চৌধুরী এবং আপস্টেট নিউইয়র্কের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবী নুরুল আলম জাহাঙ্গীর,বাংলাদেশ সরকারের সহকারি এটর্নি জেনারেল আব্দুর রকিব মন্টু,  বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধার কন্যা জাকিয়া জাহাঙ্গীর,লং আইল্যান্ডের বিশিষ্ট সমাজসেবী বাধঁন , নিউইংল্যান্ড আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি বিপুল কামাল,বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউইয়র্কের ক্রীড়া সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন আহমেদ সোহাগ,বাংলাদেশ সোসাইটি অব কানেকটিকাটের উপদেষ্টা শাহাবুদ্দিন শাহ্‌,সহ সভাপতি জুনেদ খাঁন,  সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, সহ সাধারন সম্পাদক জেহাদুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল চৌধুরী ও মতিয়ার রহমান মতিন।অনুষ্ঠানে বক্তাগণ যুদ্ধাপরাধী বিচার প্রক্রিয়া শুরু করায় বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানান। সেই সাথে অনতিবিলম্বে ৭১-এর নর ঘাতক কুখ্যাত রাজাকার আলবদরদের বিচারকার্য্য সম্পন্ন করার জন্য সরকারের নিকট দাবী জানান।অনুষ্ঠান শেষে  এক  মনোজ্ঞ  সাংস্কৃতিক  অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ  ও স্বাধীনতা  দিবসের বিভিন্ন গান পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শক শ্রতাদের মুগ্ধ করে তোলেন উত্তর আমেরিকার  জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী  তাজুল ইমাম,সমসাময়িক বিষয় ভিত্তিক গানের জনপ্রিয় শিল্পী কৌশলী ইমা,নিউইয়র্কের শিল্পী সোহেল চৌধুরী, লিপন,রুপা আলমগীর,শিশু শিল্পী নিকিতা করিম ও সুমাইয়া সুখ।অনুষ্ঠানে জিসান মোমেনের মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন উপস্থিত সকলকে মাতিয়ে তোলে।

 

যুক্তরাষ্ট আওয়ামী লীগের স্বাধীনতা দিবস পালিত এবং ২৫ মার্চের কালোরাত্রিকে স্মরণ
জাহাঙ্গীর,নিউইয়র্ক

একাত্তরের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে বর্বর পাকিস্তানী বাহিনীর নিরীহ বাঙ্গালরি বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী কাপুরুষোচিত হত্যাযজ্ঞের দিনটি দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে স্মরণ করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করা হয় ২৫ মার্চ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে আয়োজিত প্রদীপ মিছিল ও সমাবেশে।

যুক্তরাষ্ট আওয়ামী লীগের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের সভায় বক্তারা বলেছেন, ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের সেই অগ্নিঝরা দিনগুলোতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সবকিছু পরিচালিত হয়েছে। সরকারের দায়িত্ব না পেলেও সেই সময় তিনি যা আদেশ করেছেন, পুরো বাঙালি জাতি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা সত্বেও তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকরা বঙ্গবন্ধুর নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর না করে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় এবং কুটকৌশলের আশ্রয় নেয়।সেই সময় গোটা পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসন পশ্চিমা শাসকদের বিপক্ষে ছিল। ব্যাংক, বীমা, রেল অফিস-আদালত সবকিছু বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে চলত। বাঙালিরা শুধু বঙ্গবন্ধুর নির্দেশের অপেক্ষায় থাকত এবং তিনি যেভাবে নির্দেশ দিতেন সেভাবে তারা কাজ করত।আমাদের মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সময় গুটিকতক কুচক্রী এর বিরোধিতা করেছে। তারা পাকিস্তানী হানাদারদের সহযোগিতায় এদেশের মুক্তিযোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। মা-বোনদের ইজ্জত হরণ করেছে, বাড়ি ঘরে আগুন দিয়েছে, এদেশের সম্পদ লুট করেছে।সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এদের উপযুক্ত বিচারের মাধ্যমে বাঙালি জাতি কলঙ্কমুক্ত হবে। নতুন প্রজন্মসহ সর্বস্তরের মানুষ অধীর আগ্রহে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের অপেক্ষায় আছে।

 

 

নিউইংল্যান্ড আওয়ামীলীগের নতুন কমিটি গঠন ইউসুফ চৌধুরী সভাপতি ইকবাল সম্পাদক

নিউইংল্যান্ড আওয়ামীলীগের সম্মেলনের পর নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।উক্ত কমিটিতে ইউসুফ চৌধুরী সভাপতি ও ইকবাল ইউসুফ সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। গত ১৪ মার্চ রোববার বস্টনের হলিডে ইন হোটেলে অনুষ্ঠিত নিউইংল্যান্ডআওয়ামীলীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে উপস্থিত প্রধান অতিথি সহ যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দগন নতুন কমিটিকে অনুমোদন প্রদান করেন।ম্যাসাচুসেটস,‌কানেকটিকাট, নিউইয়র্ক ও নিউজার্সির প্রায় দু�শতাধিক আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মিগন উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য,একটি অসুভ শক্তির ইশারায় দীর্ঘদিনের ঐক্যবদ্ধ নিউইংল্যান্ড আওয়ামীলীগ বর্তমানে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে।নানা ষড়যন্ত্র আর নেতৃত্বের কোন্দলের ফলে দীর্ঘদিন নিউইংল্যান্ড আওয়ামীলীগের সম্মেলন করা সম্ভব হয়নি।যদিও প্রতি দু�বছর অন্তর বার্ষিক সম্মেলন হবার কথা।ইতোমধ্যে আরওএকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।গত ১৪ মার্চ অনুষ্ঠিত সম্মেলনের প্রধান অতিথি আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড.মহিউদ্দিন খাঁন আলমগীর সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে বস্টনে আসেন।কিন্ত সম্মেলনে যোগদান না করে তিনি বস্টন থেকে কেন ফিরে গেলেন তা নিয়ে এখনও চলছেনানা জল্পনা-কল্পনা।এছাড়াও উক্ত সম্মেলনের অন্যতম বিশেষ অতিথি জাতিসঙ্ঘের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. আব্দুল মোমেন অজ্ঞাত কারণে সম্মেলনে উপস্থিতি্র বিষয়ে অপারগতা প্রকাশ করায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মিদের মাঝে নানা ক্ষোভ পরিলক্ষিত হয়েছে।নিউইংল্যান্ড আওয়ামীলীগকে দ্বিধাবিভক্তদ্বিখন্ডিত করার পেছেনে সাবেক বস্টন প্রবাসী ও জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি ড.আব্দুল মোমেন নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছেন বলে অভিজ্ঞ মহলের ধারনা। গত ১৪ মার্চ উপস্থিত নেতা-কর্মিদের সম্মতিক্রমে ৩৭ সদস্য বিশিষ্ট নিউইংল্যান্ড আওয়ামীলীগের নতুন কমিটি গঠন করা হয়।এতে সভাপতি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ চৌধুরী, সিনিয়র সহ সভাপতি বিপুল কামাল,সহ সভাপতি যথাক্রমে-সালাউদ্দিন চৌধুরী,আব্দুর রাজ্জাক,রাতুল বড়ুয়া ও আসিফবাবু, সাধারন সম্পাদক ইকবাল ইউসুফ, সহ সাধারন সম্পাদক যথাক্রমে-‌তাসাদ্দুক হোসেন,উজ্জল বড়ুয়া ও জামাল মিয়াজী,সাংগঠনিক সম্পাদক মিন্টু কামরুজ্জামান,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক যথাক্রমে-সালাউদ্দিন খান সৈকত ও জিয়াউল হাসান নির্বাচিত হয়েছেন।

 

 

 

২৬ মার্চের মধ্যেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে-নিউইয়র্কে এক সর্বজনীন মতবিনিময় সমাবেশে আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তাইয়েবার সম্পর্ক রয়েছে। তিনি নিউইয়র্কের জ্যামাইকাতে প্রবাসীদের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় একথা জানিয়ে বলেন, জামায়াতপন্থীদের জাতিসংঘের সামনে বিক্ষোভ করে কোনো লাভ হবে না। যুদ্ধাপরাধের জন্য তাদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড়াতেই হবে।

২৬ মার্চের মধ্যেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে মন্ত্রী জানান।আইনমন্ত্রী আরও বলেন, পঞ্চম সংশোধনী বাতিলের পর জামায়াতসহ ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো আর রাজনীতি করতে পারে না। বিষয়টি নিয়ে সরকার আদালতের ব্যাখ্যার অপেক্ষায় রয়েছে। এরপর নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে জামায়াত আর নিবন্ধন পাবে না।আইনমন্ত্রী আরও জানান, কানাডায় অবস্থানরত বঙ্গবন্ধুর খুনি নূর চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সেদেশের সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
 ১৩ মার্চ অপরাহ্নে জ্যামাইকায় বার্ণি সেন্টারে এ সর্বজনীন মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও নিউইজার্সী স্টেটের পে ইন্সবরো সিটি কাউন্সিলের কমিটিম্যান ড. নূরন্নবী।পরিচালনা করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার ডা. মাসুদুল হাসান এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সেক্রেটারী শিতাংশু গুহ। ডাকসুর সাবেক জিএস এবং আইনমন্ত্রীর সহধর্মীনি মাহফুজা খানমও এ সময় বক্তব্য রাখেন। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসীরা এই মত বিনিময় সভায় অংশ গ্রহন করেন।  গ্রেটার ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক অমর ইসলাম সহ যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী অংশ গ্রহন করেন।

 

 

 

একুশ আমাদের দেশ ও দেশের মানুষকে নিয়ে ভাবিয়ে তোলে : গ্রেটার ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এম করিম বাচ্চু

প্রতি বছর একুশ আমাদের দেশ ও দেশের মানুষকে নিয়ে ভাবিয়ে তোলে । নিজ আত্মপরিচয়ে সার্বিক স্বকীয়তাসহ  আরো ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য একুশ যে জাতিসত্ত্বাবোধ নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল, তা পরবর্তী সময়ে বহু বাধা ও প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছে। কায়েমী স্বার্থ, সামপ্রদায়িক, প্রগতি বিরোধী শক্তি একুশের প্রাণ শক্তিকে বারবার বাধাগ্রস' করেছে। তবুও আমরা বাধামুক্ত হয়ে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে সামনে এগিয়েছি এবং আজও সে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
একুশকে আমরা জেনেছি বাঙালি জাতির সার্বিক মুক্তি আর ব্যক্তি ও সমগ্র জনগোষ্ঠীর আত্মমর্যাদা নিয়ে বাঁচা থাকার মূল মন্ত্র হিসেবে। বৈষম্য, শোষন, বঞ্চনা, পরনির্ভর সমাজে দুর্ণীতি ও লাম্পট্যের আধিপত্য ও সর্বোপরি পরদেশীদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক আধিপত্য আমাদের চলার পথকে করছে বাধাগ্রস'। বিগত বছরগুলোতে কিছু দুর্ণীতিগ্রস' রাজনীতিবিদ, সামরিক, বেসামরিক আমলা ও স্বাধীনতার চিহ্নিত শত্রুরা জাতিকে নানা সংকটে ফেলে মানুষের দীর্ঘদিনের কাঙ্খিত শোষণমুক্ত সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের স্বপ্নকে
বিপর্যস- করেছে।
নৃশংসভাবে বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দিন আহমেদসহ জাতীয় নেতাদের হত্যা, পরবর্তীতে রাজনৈতিক নিপীড়ন ও হত্যা চেষ্টার মধ্য দিয়ে দেশে একটা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাভাবিক পথচলাকে বাধাগ্রস' করা হচ্ছে। অতীতে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডসমূহের বিচারকে নানা অজুহাতে বিলম্বিত করে ন্যায় বিচারকে অবজ্ঞা করা হচ্ছে, নৈতিকভাবে জাতিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে একটি অনিশ্চয়তা আর নৈরাজ্যের দিকে। পূর্বের মত নানা আবরনে একশ্রেনীর ছদ্মবেশী স্বার্থান্বেষী রাজনৈতিক মহল, সামরিক- বেসামরিক আমলা, কিছু বহুজাতিক সংস'া ও লুটেরা ধনিক স্বার্থরক্ষায় অতীতের মত নানা ধরণের ছল চাতুরীর আশ্রয় নিচ্ছে। এই মহল বিশেষের ষড়যন্ত্রকে প্রতিরোধ করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে প্রগতি ও সম্ভাবনার দিকে। বৈষম্যমূলক সমাজ যেখানে মানুষের সমঅধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করে না সেখানে শুধুমাত্র কিছু প্রলেপ দিয়ে আর লোক দেখানো চমক সৃষ্টি করে মানুষকে অসনে-াষ আর ক্ষোভ থেকে নিবৃত করা যাবে না। লুটেরা, ধনিকবনিক, কিছু দুর্নীতিগ্রস' রাজনীতিবিদ ও অসৎ আমলাদের ক্ষমতাকে চিরদিনের মত খর্ব করে সৎ ও দেশপ্রেমিকদের সুশাসন কায়েম করে আমাদের দেশের অমিত সম্ভাবনাকে এগিয়ে নিতে হবে। দেশে ও প্রবাসে কোটি কোটি মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো এই বিশ্বাস আমাদের আছে। আমাদের চাই সহমর্মিতা, যোগাযোগ, সত্যানুসন্ধান আর দেশের মানুষের স্বাবলম্বী হবার কাজে সকলের যৌথ প্রচেষ্টা।