বিনোদন গ্যালারি

আমাদের ওয়েব সাইটে আরো কি কি রাখলে ও কি কি করলে সুন্দর হবে, আপনাদের মতামত কাম্য।ই-মেইল করুন bdpost7@gmail.com  

setalpm

 

এই সময়ের জনপ্রিয় মডেল শখ।প্রোফাইল

বন্ধু দিবস

অস্ট্রেলিয়া থেকে শাবনূর ফোনে বিয়ের খবর মিথ্যা বলে জানিয়েছেন।

ভালোবাসার সংজ্ঞা

যেখানেই স্বাধীনতার শত্রু সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলুন
স্বাধীনতা শব্দটার মানে কি ?

ভালবাসা শব্দটার মানে কি?

 

 মা দিবস 
 
যেখানেতে দেখি যাহা
মায়ের মতন আহা
একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই,
মায়ের যতন এত
আদর সোহাগ সে তো
আর কোনখানে কেহ পাইবে না ভাই।

হেরিলে মায়ের মুখ
দূরে যায় সব দুখ,
মায়ের কোলেতে শুয়ে জুড়ায় পরান,
মায়ের শীতল কোলে
সকল যাতনা ভোলে
কত না সোহাগে মাতা বুকটি ভরান।

কত করি উৎপাত
আব্দার দিন রাত,
সব স’ন হাসি মুখে, ওরে সে যে মা!
আমাদের মুখ চেয়ে
নিজে র’ন নাহি খেয়ে,
শত দোষে দোষী তবু মা তো ত্যাজে না।...”
(মা, কাজী নজরুল ইসলাম)“

শুভ নববর্ষ ১৪১৭ | সবাইকে জানাই অনেক অনেক প্রীতি ও শুভেচ্ছা | পরিবারের সকলে মিলে ভালো থাকুন, আনন্দে ভরে উঠুন সবাই, আগামী নতুন বছর হোক নতুন আশায় নতুন উৎসাহে ভরা… এগিয়ে চলুন সবাই, এগিয়ে চলুক বাংলাদেশ!

এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ
তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক
যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি,
অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক।
মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা
রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ
মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক।

বৈশাখী মেলা

 


 

 

 

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রধান সমস্যা জনসংখ্যা বৃদ্ধি

 

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করল গ্রেটার ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ ম্যারিল্যান্ডে

একুশ মানে-
মুক্ত মায়া
স্বপ্ন ছায়া।
একুশ মানে-
মায়ের মুখ
খোকার সুখ।
একুশ মানে-
গলপো বলা
এগিয়ে চলা।
একুশ মানে-
পাখির ডানা
হার না মানা।
একুশ মানে-
প্রাণের টান
আমার গান।

 

 

একুশ মানে
মাথা নত না করা ।
একুশ মানে
অধিকার ছিনিয়ে নেয়া ।

একুশ—
আমার মা;
মাকে মা ডাকতে পারা ।
একুশ—
আমার বাবার দেয়া স্নেহের চুম্বন ।
একুশ—
আমার বোনের অশ্রুসিক্ত ক্রন্দন ।
একুশ—
আমার ভাইয়ের রক্ত;
সালাম, রফিক, বরকতের রক্ত ।

একুশ—
তোমার-আমার কথায়,
প্রাণের কথায় ।
একুশ—
তোমার-আমার ব্যথায়,
সইতে না পারা ব্যাথায় ।
একুশ—
তোমার-আমার সুখে,
তোমার-আমার দুখে ।
একুশ—
তোমার-আমার প্রেমে,
ভালোবাসায় ।

একুশ—তোমার-আমার সপ্নে,
তোমার-আমার চেতনায় ।

 

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/02/890_I-LOVE-YOU.gif

এটা হয়তো বা আধুনিক যুগের শহর কেন্দ্রিক ভালবাসার একক। তাই এটা সার্বজনীন এককের মর্যাদা পেতে পারে না।
ভালবাসার একক একটাই  হতে পারে, সেটা হলো বিশ্বাস।

  

নিজেই গান গাইবেন শিশুশিল্পী দীঘি..

 

 তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

 

 

জাতীয় পতাকাঃ

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। এমাসেই আমাদের পবিত্র জাতীয় পতাকার ব্যাবহার খুব বেশী। জাতীয় পতাকা একটি দেশের জাতীয়তা বহন করে। বহির্বিশ্বে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। আর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাতো রক্তার্জিত। তাই এর মূল্য অনেক অনেক বেশি। জাতীয় পতাকা তৈরি ও ব্যবহারে কিছু বিধিমালা রয়েছে। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো-

জাতীয় পতাকার রঙঃ
আমাদের জাতীয় পতাকার রঙ উজ্জ্বল ঘন সবুজের মাঝেখানে লাল বৃত্তটি স্বাধীনতার নতুন সূর্যের প্রতীক। সবুজ অংশটি তারুণ্যের উদ্দীপনা আর গ্রামবাংলার বিস্তৃত সবুজ পরিবেশের প্রতীক।

জাতীয় পতাকা তৈরির নিয়মঃ
জাতীয় পতাকা হবে আয়তাকার।
পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হবে ১০ঃ৬।

পতাকার মাঝে লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ হবে পতাকার দৈর্ঘ্যরে ৫ ভাগের ১ ভাগ।
পতাকার দৈর্ঘ্যকে সমান ১০ ভাগে ভাগ করতে হবে।
পতাকার প্রস্থকে সমান ২ ভাগে ভাগ করতে হবে।
প্রত্যেক ভাগকে ১ একক ধরে হিসাব করতে হবে।
পতাকার দৈর্ঘ্যরে ডান দিকে সাড়ে পাঁচ একক ও বামে সাড়ে চার একক রেখে লম্বা টানতে হবে।
প্রস্থকে ভাগ করা রেখার সাথে এই লম্ব যেখানে মিলবে সেটাই হবে লাল বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দু।

আকারঃ
বেসরকারি ও সরকারি ভবনে উড্ডয়নের জন্য তিনটি ভিন্ন মাপের পতাকা ব্যবহার করা যাবে ভবনের আকার আয়তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে।
দৈর্ঘ্যে ৩.০৫ মিটার বা ১০ ফুট, প্রস্থে ১.৮৩ মিটার বা ৬ ফুট
দৈর্ঘ্যে ১.৫২ মিটার বা ৫ ফুট, প্রস্থে ০.৯২ মিটার বা ৩ ফুট
দৈর্ঘ্যে ০.৭৬ মিটার বা ২.৫ ফুট, প্রস্থে ০.৪৫ মিটার বা ১.৫ ফুট

নিম্নে বর্ণিত দুই প্রকার পতাকা গাড়ির জন্য ব্যবহার করা যাবেঃ
দৈর্ঘ্যে ০.৩৮ মিটার বা ১৫ ইঞ্চি, প্রস্থে ০.২২ মিটার বা ৯ ইঞ্চি
দৈর্ঘ্যে ০.২৫ মিটার বা ১০ ইঞ্চি, প্রস্থে ০.১৫ মিটার বা ৬ ইঞ্চি

ব্যবহারবিধিঃ
পতাকা অবশ্যই সঠিক রঙে ও মাপে তৈরি করতে হবে। জাতীয় পতাকা সকল সরকারী বেসরকারী /উল্যেখযোগ্য ভবন ছাড়াও কোনো যানবাহনের সামনে ওড়াতে পারবেন, পেছনে বা মাঝখানে ওড়ানো যাবে না। যদি মিছিলে জাতীয় পতাকা ব্যবহৃত হয় তবে তা প্রথম সারির মাঝে বা ডানে রাখতে হবে। নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট স্থানেই কেবল পতাকা ওড়ানো যাবে। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পতাকা ওড়ানো যাবে। জাতীয় পতাকা শিক্ষা, ব্যবসা, বাণিজ্যে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। সিনেমা হলে ঙ্কিম্বা কোন অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনকালে দাঁড়িয়ে সম্মান জানাতে হবে।

 

 

Kaniz Fatima

 

Urmi Ahsan.

 

Nafis Saleh Sadik,

 

Acttresse Anika Kabir Shokh.

 

Acttresse .

 

Acttress .

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

                 

                             

 

 

 

 

    

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আপনি উপস্থাপনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হলেন কিভাবে?
রওনক: প্রথমে আমি এনটিভিতে সংস্কৃতি এই সপ্তাহ নামের একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা শুরু করি কৌতূহল থেকে। ওখানে একটা সেগমেন্ট ছিল সাক্ষাৎকার নিয়ে। ওটা করতে গিয়ে পরবর্তীতে টক শোয়ের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠি।

আপনার উপস্থাপিত লাইভ টক শো পরস্পর সম্পর্কে বলুন।
রওনক: পরিবারের প্রতিটি সদস্যের পারস্পরিক সম্পর্ক, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক। মানুষের সঙ্গে রাষ্ট্র বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক- এসব নিয়ে এ অনুষ্ঠানটি নির্মিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটির প্রথম পর্বের বিষয় ছিল জনতা বনাম পুলিশ। এই পর্বের সার্বিক প্রতিক্রিয়া খুবই ভালো ছিল। তাই সম্ভবত এই প্রথম কোন টক শোয়ের একটি পর্বের সিক্যুয়াল হিসেবে আরেকটি পর্ব তৈরি হয়। ওই পর্বটির শিরোনাম ছিলো- জনতা বনাম পুলিশ বনাম সরকার।

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন, পাশাপাশি উপস্থাপনাও। দুটো বিষয় সমন্বয় করেন কিভাবে?
রওনক: মূলত আমি শিক্ষকতাই বেশি উপভোগ করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের [জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়] সবকিছুই আমার দারুণ ভালো লাগে। প্রতিদিন দুপুরের মধ্যেই আমার ক্লাস শেষ হয়ে যায়। এরপর উপস্থাপনা, সংসার এবং অন্য কাজগুলো করি।
মিডিয়ায় আর কী কী করছেন? রওনক: আমি সচরাচর বিশেষ দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানগুলো উপস্থাপনা করি। খুব বেশি কাজ করি না বলে সমন্বয় করতে খুব একটা সমস্যা হয় না।
স্টারবিজ: ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কিছু বলুন। রওনক: আমার স্বামী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা। সম্প্রতি ওর পোস্টিং হয়েছে ওয়াশিংটন ডিসিতে। আমিও ওর সঙ্গে আগামী মাসে সেখানে যাব। ইচ্ছে আছে মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা নিয়ে পিএইচডি করার। পাশাপাশি মিডিয়া নিয়েও পড়ার ইচ্ছে আছে।
সেক্ষেত্রে উপস্থাপিকা রওনকের কী হবে?
রওনক: তার কাজ তখন বন্ধ থাকবে। দেশে ফেরার পর হয়তো আবার উপস্থাপিকা রওনককে দেখা যাবে।
আগামীতে অভিনয়ে সম্পৃক্ত হতে চান কি? রওনক: আগামীর কথা আগামীতে বলাই ভাল, তাই নয় কি?

 

 

বাংলা চলচ্চিত্রে আলোচিত এক নায়ক সালমান শাহ
৯০-এর দশকে যখন বাংলা চলচ্চিত্র তার ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছিল তখন পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানের হাত ধরে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবির মাধ্যমে ঢালিউডে এলেন এবং জয় করলেন সবার হৃদয়। সিনেমা হল বিমুখ বাঙালিদের আবারো হলমুখী করতে যার অবদান সবচেয়ে বেশি বলে মনে করা হয় তিনি বাংলা চলচ্চিত্রে আলোচিত এক নায়ক সালমান শাহ। আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরী। দুই ভাইয়ের মধ্যে সালমান বড়। ছোট ভাই শাহরান চৌধুরী ইভান। নানাবাড়ি সিলেটে তার জন্ম। ছোটবেলা থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি অভিনয়ের ওপর দুর্বল ছিলেন।

নবাগত নায়িকা মৌসুমীর সঙ্গে প্রথম ছবিতে জুটি বাঁধলেও পরবর্তীতে শাবনূরের সঙ্গে জুটি গড়ে একের পর এক ব্যবসা সফল ছবি উপহার দেন সালমান। ১৯৯৩ সালের ২৫ মার্চ ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ মুক্তির পর মাত্র ৪ বছরের মধ্যেই করে ফেলেন ২৭টি ছবি।
তবে কি এক অজানা দুঃখবোধ হয়তো জড়িয়ে ছিল সালমান শাহকে। আর তাই তো অভিমান করে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থামিয়ে দিলেন জীবন রথ। মাত্র ২৭ বছর বয়স ছিল তার তখন। তার মৃত্যু নিয়ে হাজারো বিতর্ক থাকলেও সালমান শাহ’র অকালে চলে যাওয়া যে ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি, তা নিয়ে কারোর মধ্যেই কোনো দ্বিমত নেই।

 

 

ঢাকার চলচ্চিত্রে এক জোড়া নতুন মুখের অভিষেক হতে যাচ্ছে।

তাঁরা অভিনয় করেছেন খোঁজ (সার্চ) ছবিতে। একজন অনন্ত, অন্যজন বর্ষা। এ ছবির শুটিং হয়েছে আমেরিকার বিভিন্ন লোকেশনে। ছবির কিছু অংশের কাজ হয়েছে বাংলাদেশের কক্সবাজারে।ছবির গল্পে দেখানো হয়েছে জীবন বাজি রেখে অস্ত্র চোরাচালানি নিনোকে ধরতে গিয়ে আহত হয় মাহমুদ হাসান। সন্ত্রাসীরা মাহমুদ হাসানকে কিডন্যাপ করে। তখনো অনেকেই জানে না, এই অনন্ত আসলে বাংলাদেশ সিক্রেট সার্ভিসের কমান্ডো।ছবিটি পরিচালনা করেছেন ইফতেখার চৌধুরী। এ ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন অনন্ত, বর্ষা, ববি, সোহেল রানা, জিসান প্রমুখ।ছবির বিভিন্ন গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বাপ্পা মজুমদার, এস আই টুটুল, সামিনা চৌধুরী, ফেরদৌস ওয়াহিদ, কণা, কনকচাঁপা, রন্টি দাস, হাবিব ও ন্যান্সি।
জানা গেছে, ছবিটি একই সঙ্গে দেশ ও দেশের বাইরের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে মুক্তি দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে ছবির নায়ক ও প্রযোজক এম এ জলিল বলেন, ‘আমার প্রথম উদ্দেশ্য ছিল, আমি এমন একটি ছবি বানাব, যে ছবি দেশের বাইরে বিদেশের প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয় করবে।’ছবির নায়িকা বর্ষা বলেন, ‘অপেক্ষা করছি খোঁজ-এর জন্য। ছবিটির সাফল্যের ব্যাপারে আমি আশাবাদী।’ খোঁজ ছবিটি বর্তমানে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্রের অপেক্ষায়।

 

 

চুক্তিভঙ্গ করে দ্বিগুণ পারিশ্রমিক নেয়ার অভিযোগ উঠেছে কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সির বিরুদ্ধে, শিল্পীর দাবি এটা তার বিরুদ্ধে স্রেফ ষড়যন্ত্র। তার ক্যারিয়ার ধ্বংসের লক্ষেই এমনটি করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ১১ মার্চ চট্টগ্রামে ভারতীয় জিটিভি সারেগামা চ্যাম্পিয়ন অনিক ধর ও হিমানি কাপুরের সঙ্গে যৌথভাবে একটি কনসার্টে অংশগ্রহণ করে ন্যান্সি। আর সেই কনসার্টে ন্যান্সির আচরণ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে তাকে অভিযুক্ত করে নানা রকম খবর প্রকাশিত হয়। নিয়মমাফিক গান করার জন্য চুক্তিবদ্ধ করা হলেও কনসার্টের দু'দিন আগে ন্যান্সি সুযোগ বুঝে চুক্তির দ্বিগুণ পরিশ্রমিক দাবি করে বসে। বাধ্য হয়ে আয়োজক তাকে দ্বিগুণ পারিশ্রমিক দিয়ে মঞ্চে নিলেও ভাল মতো তিনি গান না করায় দর্শকদের ধিক্কারে ন্যান্সি মঞ্চ থেকে নেমে মুচ্র্ছা যান। প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক আনন্দ দিন সম্পাদক বাশারুল ইসলাম মুন্না বলেন, আয়োজক প্রতিষ্ঠানের ইচ্ছাতেই আমি ন্যান্সিকে গান করার জন্য অগ্রিম পারিশ্রমিক দিয়ে চুক্তিবদ্ধ করি। কিন্তু অনুষ্ঠানের দু'দিন আগে ন্যান্সি সুযোগ বুঝে চুক্তির দ্বিগুণ পারিশ্রমিক দাবি করে বসে। আয়োজকদের আগ্রহের ভিত্তিতে সেভাবেই তার সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করি। কথা ছিল বাকি টাকা শো চলাকালে প্রদান করব। কিন্তু ন্যান্সি মঞ্চে ওঠে আমাকে ফোনে জানায়, বাকি টাকা না দিলে সে গান করবে না। পরে মিউজিশিয়ানদের সহযোগিতায় ব্যাপারটি সুরাহা হয়। কিন্তু ন্যান্সি ঠিকমত গান না করায় উপস্থিত প্রায় সাত হাজার দর্শকের ধিক্কারের মুখে সে মঞ্চ থেকে নেমে মুচ্র্ছা যায়। ন্যান্সির এমন ব্যবহারে সেখানে উপস্থিত সাত হাজার দর্শকসহ সবাই হতবাক হয়ে পড়েন।
পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে ন্যান্সির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, পত্রিকায় আমার সম্পর্কে যা ছাপানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। অনুষ্ঠানটির সমন্বয়ক বাশারুল ইসলাম মুন্না পারিশ্রমিক নিয়ে আমাকে ঝামেলায় ফেলতে চেয়েছিল। আমার সঙ্গে একটাই চুক্তি হয়েছে সেই অনুযায়ী, আমি আমার ন্যায্য পারিশ্রমিক দাবি করলে তিনি আমাকে নানা রকম বাজে কথা বলে হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমি কিভাবে মিডিয়ায় টিকে থাকি তা দেখে নেবেন। ন্যান্সি আরও বলেন, আমার সঙ্গে প্রথম থেকেই মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হয়েছে। বলা হয়েছিল অনুষ্ঠান চিটাগাং ক্লাবে হবে কিন্তু গিয়ে দেখি বাকুলিয়ায় একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান। তবুও আমি অনুষ্ঠানে সুন্দর মতো করেই গান করেছি এবং মঞ্চ থেকে নেমে মুচ্র্ছা যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। পুরো অনুষ্ঠানটি ভিডিও করা হয়েছে। ভিডিওটি দেখলেই আমার কথার সত্যতা পাওয়া যাবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এরকম একজন বলেন, অনুষ্ঠানে ন্যান্সিকে নিয়ে কিছুটা হইচই হয়েছে এটা সত্য তবে ন্যান্সি স্টেজ থেকে নেমে মুচ্র্ছা যায় বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি নিজে সেখানে উপস্থিত ছিলাম। পরে ন্যান্সি ও মুন্নার কাছ থেকে শুনেছি পারিশ্রমিক নিয়ে তাদের মধ্যে সমস্যা হয়েছিল।

 

 

আমি প্রেম করার জন্য চলচ্চিত্রে আসিনি এসেছি কাজ করতে সিলভি

কারও সঙ্গে বিশেষ কোন সম্পর্কের মধ্য দিয়ে আমি আমার ক্যারিয়ার গড়তে চাই না। চাই যোগ্যতার মধ্য দিয়ে নিজের প্রতিভাকে তুলে ধরতে। কথাগুলো একসঙ্গে দশ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে চমক সৃষ্টি করা নায়িকা সিলভির। বললেন, যে বিশ্বাসে আমার দশ ছবির প্রযোজক মো. নাজিমউদ্দিন চেয়ারম্যান আমাকে সুযোগ দিয়েছেন আমার সর্বোচ্চ মেধা দিয়ে তা কাজে লাগাতে চাই। চাই বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে। আমার বিশ্বাস, সবার সহযোগিতায় আমি সেটা পারবো। বিনোদন বিচিত্রা ফটোসুন্দরী সিলভির কন্ঠে দৃপ্ত উচ্চারণ কাজের প্রতি তার শ্রদ্ধা ভালবাসারই বহিঃপ্রকাশ। সেই সঙ্গে সিনসিয়ারিটির আগাম প্রদর্শন। শাকিব খানের নায়িকা হিসেবে চলচ্চিত্রে পা রাখা সিলভি এক ছবিতে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছুই শিৰা নিয়ে ফেলেছেন। বন্ধন বাণীচিত্রের প্রযোজনায় নিমর্ীয়মাণ শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত 'বলো না কবুল' ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন নিয়ে অধ্যয়নরত স্মার্ট এবং সুন্দরী তারুণী সিলভি। প্রথম ছবিতে শাকিব খানের মতো নায়কের নায়িকা তিনি। সঙ্গে অপু বিশ্বাস থাকলেও তার চরিত্রের গুরুত্ব কোন অংশেই কম নয়। কাজ করেছেন মনপ্রাণ উজাড় করে। নতুন হিসেবে প্রথম ছবিতে নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হলেও ধৈর্য এবং সাধনা তাকে বিশাল সুযোগ এনে দেয়। সুস্থ ধারার ছবির সিংহ হৃদয়ের প্রযোজক মো. নাজিমউদ্দিন চেয়ারম্যান হালের আলোচিত ইমন এবং সিলভিকে দশ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ করেন এবং ঘটা করে প্রথম ছবি 'যেমন জামাই তেমন বউ'-এর মহরত করেন। ইমন-সিলভিকে নিয়ে এই ছবিটি পরিচালনা করছেন কুশলী পরিচালক উত্তম আকাশ। ছবির শুটিং প্রায় শেষ পর্যায়ে। এতবড় একটা সুযোগ পাবার পেছনে সিলভির সম্ভাবনাই বড় হয়ে কাজ করেছে বলে জানালেন নাজিমউদ্দিন চেয়ারম্যান। চলচ্চিত্র সম্পর্কে পরিচ্ছন্ন ধারণা রাখা এই প্রযোজক বলেন, আমার মনে হয়েছে সুযোগ পেলে আর চেষ্টা করলে মেয়েটি ভাল করবে। আমি সুযোগ দিয়েছি এখন তার চেষ্টা আর ভাগ্য। সিলভি বলেন, একসঙ্গে দশ ছবিতে সুযোগ তো অবশ্যই সৌভাগ্যের। তবে আমি এই সৌভাগ্যকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে চাই। তিনি বলেন, ফিল্মে এসেই শুনেছি, ক্যারিয়ারের জন্য নায়ক-নায়িকারা প্রেম করেন, প্রেম দিয়ে জুটিটা বেঁধে রাখেন, আরও কত কি? তবে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই- প্রেম নয়, যোগ্যতা দিয়েই টিকে থাকতে চাই। সিলভি বলেন, আমার প্রেম হবে ক্যামেরার সঙ্গে, দর্শকদের সঙ্গে। আমি দর্শকদের প্রেমিকা হতে চাই। দর্শকদের ভালবাসা পেলেই আমি সফল হতে পারবো।

 

 

এটাআমার নিয়ম ন্যান্সি

ভারতীয় জিটিভি সারেগামাপা চ্যাম্পিয়ন অনীক ধর ও হিমানি কাপুর এর সঙ্গে সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি শোতে অংশ নিয়েছিলেন বাংলাদেশের শিল্পী ন্যান্সি। অনুষ্ঠানে ন্যান্সির অসদাচরণে অবাক ও মর্মাহত হয়েছেন আয়োজক ও জিটিভির শিল্পীরা।প্রায় সাতহাজার দর্শক ন্যান্সির ব্যবহার ও ভালো করে গান না গাইতে পারার জন্য স্টেজ থেকে নামিয়ে দেন। পরে ন্যান্সি স্টেজ থেকে নেমে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক বাশারুল ইসলাম মুন্না জানান, আয়োজক প্রতিষ্ঠানের ইচ্ছাতেই আমি ন্যান্সিকে নিয়ে যাই। কিন্তু শোর দুইদিন আগে অগ্রিম করার সময় ন্যান্সি সুযোগ বুঝে দ্বিগুণ দাবি করলেও বাধ্য হয়ে অগ্রিম করে চুক্তিপত্রে সই করায়। শর্ত ছিল বাকি অর্ধেক টাকা শো চলাকালীন প্রদান করব। ন্যান্সি স্টেজে উঠেই দ্বিগুণ টাকা দাবি করেন। পরে তার মিউজিশিয়ানদের সহযোগিতায় চুক্তিপত্র দেখিয়ে বাকি টাকা প্রদান করা হয়। অথচ অনীক ও হিমানি পুরো তিনঘণ্টা দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন।পরে ন্যান্সির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাকে নিতে হলে এভাবেই নিতে হবে। প্রত্যেকটা শিল্পী আলাদা নিয়মকানুন মেনে চলেন। এটাই আমার নিয়ম।

 

জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের ভাললাগা যার মুগ্ধ অবয়বে, অনিন্দ্য, সুন্দরের রূপে দক্ষিণা হাওয়ার শিহরণ যে, তিনি কেয়া। কেয়াপাতার নৌকা গড়ে সে শুধু সাজিয়ে যায় রুপালি পর্দার ক্যানভাসকে। ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই নায়িকার না বলা কিছু কথা নিয়ে আমাদের এবারের দশে দশ।

১। আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া প্রিয় একটি মুহূর্ত, যা আপনাকে এখনো স্মৃতিকাতর করে।
০ শাকিব খানের সাথে কক্সবাজারে ‘নষ্ট’ ছবির গানের শুটিং করতে গিয়েছিলাম। শুটিং শেষ করে ফিরার পথে ভিড়ের মধ্যে একটি লোক আমাকে চিমটি দিয়েছিল। এটা মনে হলে মাঝে মাঝে আমার হাসিও পায় আবার ভয়ও লাগে।

২। আপনার প্রিয় দু’জন মানুষের নাম বলুন-
০ বাবা
০ মা
৩। শুটিং করতে ভাল লাগে এমন তিনটি স্থানের নাম বলুন-
০ ব্যাংককের ফুকেট (জেমস বন্ড আয়ারল্যান্ড)
০ কক্সবাজার
০ গল্‌ফ ক্লাব
৪। যে চারজন অভিনেতার সাথে অভিনয় করতে পারলে, আপনি খুশি হতেন-
০ শাহরুখ খান
০ সালমান খান
০ অভিষেক বচ্চন
০ জন আব্রাহাম
৫। যে পাঁচজন অভিনেত্রীর অভিনয় আপনাকে মুগ্ধ করে
০ শাবানা
০ ববিতা
০ শাবানা আজমী
০ জুলিয়া রবার্টস
০ ড্রিও বেরীমুর
৬। যে ছ’টি খাবার আপনার খুব প্রিয়
০ ভুনা খিচুরি
০ পান্তা ভাত
০ স্টেইক
০ আইসক্রীম
০ চটপটি
০ কোক
৭। যে সাতজন শিল্পীর গান আপনার ভাল লাগে
০ সনু নিগম
০ রুনা লায়লা
০ এন্ড্রু কিশোর
০ কনক চাঁপা
০ আতিক আসলাম
০ হাবিব
০ হৃদয় খান
৮। যে আটটি জিনিস সবসময়ই আপনার কাছে থাকে
০ ব্যাগ
০ মোবাইল ফোন
০ পারফিউম
০ লিপিস্টিক
০ আইলাইনার
০ মাসকারা
০ লিপজেল
০ আয়না
৯। যে নয়টি চলচ্চিত্র আপনার খুব পছন্দের
০ দ্য পিয়ানিস্ট
০ লাইফ ইফ বিউটিফুল
০ ফরেস্ট গাম্প
০ টাইটানিক
০ জীবন থেকে নেয়া
০ তিতাস একটি নদীর নাম
০ গজ্‌নী
০ এভেটার
০ ওমরাও জান
১০। যে দশটি শব্দ আপনি নিত্যদিন ব্যবহার করেন
০ এখান থেকে সরো
০ ঘ্যান ঘ্যান করো কেনো
০ গো টু হেল
০ লিভ মি এলোন
০ ডোন্ট বি সাউট
০ বেশি কথা বলো
০ হ্যালো
০ শুনতে পাচ্ছি
০ ফাইল
০ বলো

 

পাত্রী দেখতে অনুরোধ করিয়া পিতার কাছে আবেদন
শ্রদ্ধেয় আব্বা/আম্মা,

শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ৮ ফাল্গুন

আশা করি আল্লাহ্ রহমতে ভালই আছেন। আমিও ভাল আছি। এখানে যদিও আজকাল একটু ঠান্ডা পড়েছে, তবুও তা এখন সহনশীলতার মধ্যেই আছে, তাই এ নিয়ে চিন্তা করবেন না।

যে কারনে চিঠিটি লেখা। ২৮ টি বসন্ত পেরিয়ে ২৯ বসন্ত যায় যায়, আর আপনাদেরও বোধ হয় একা একা লাগে। তাই কেবলমাত্র আপনাদের একাকিত্ব দূর করতেই অভিভাবকদের জন্য সুন্নত না ফরজ একটা কাজ আছে না, ওটা তো পালন করা সময় হয়েছে। কি বলেন? আশা করি hints বুঝতে পেরেছে। ডাইরেক্ট বলতে লইজ্জা লাগে

আপনাদের নিশ্চয়ই এতদিনই বুঝে যাবার কথা যে এই ব্যাপারটায় আমার নাকটা একটু উচুঁ আর খুতখুতে। তাই যেনতেন কনে বাছাই করে ঘাড়েঁ ঝুলিয়ে দিলে কিন্তু চলবে না। আপনাদের কাজটি যাতে সহজ হয়, সেজন্য কনের কিছু অত্যাবশ্যকীয় গুনের কথা বলতে চাই।

১. চেহারায় ঝলক না থাকলেও চলবে, তবে Google এর মতো সাধাসাধি হলেই যথেষ্ট।

২. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন না জানলে আমি নাই, ওইটা ছাড়া মানুষ বাচেঁ? কনের অন্তত পাচ‍টা সাইট গুগলের প্রথম পাতায় থাকতে হবে। আগেই হুশিয়ার কোনো Black Hat পদ্ধতি ব্যবহার করা চলবে না।

৩. রান্না পারুক না করুন, ওয়ার্ডপ্রেস জানতে হবে। রান্না তো গুগলে সার্চ করেও শিখতে পারবে।

৪. রোজ রোজ বাজারে যেতে বলতে পারবে না, ইকর্মাসে পারদর্শী হতে হবে। ইন্টারনেটেই যখন বাজার করা যায়, তখন পায়ে হেটেঁ যাবার দরকার কি?

৫. Windows ব্যবহার করতে পারে, তাতে সমস্যা নাই কিন্তু ক্রাক কোড নিজেকেই খুঁজে নিতে হবে। আমার এতো টাইম নাই।

৬. Facebook এ একাউন্ট থাকতে পারে, কিন্তু Twitter একাউন্ট থাকলে একদম না। ওইটা আমার দু’চক্ষের বিষ।

৭. হাতের লেখা যা তা হউক সমস্যা নাই, তবে টাইপিং স্পীড যেন ত্রিশ শব্দের নিচে না হয়। আমার ড্রাফট করা ব্লগগুলো তো ওকেই লিখতে হবে।

৮. Bing এর মতো প্রতিদিন রং পাল্টাইলে চলবে না, মেকআপের পিছনে এত টাকা পাবো কই? জিজ্ঞাসা করে নিয়েন Adsense এর কালার প্যালেট কি জানে তো?

৯. টুকটাক হার্ডওয়ার আর ট্রাবলশুটিং জানলে ভাল হয়, আমি ওই ব্যাপারগুলি কম বুঝি কিনা?

আশা করি আপনারা আমার পছন্দ বুঝতে পারেছেন। যত শ্রীঘ্রই আপনার কাজটি শেষ করবেন, তত তাড়াতাড়ি আপনাদের একাকিত্ব দূর হবে। আপনাদের কথা ভেবেই তো এত কিছু বলা। ওহ আরেকটা কথা, মেয়ের অবশ্যই অবশ্যই জিমেইল একাউন্ট থাকতে হবে। ইয়াহু হলেও চলবে কিন্তু হটমেইল হলে খবর আছে।

ভাল থাকবেন।

ইতি,

হাসান (লোকালহোস্ট)

 

ছবি হবে তাতে আবার আইটেম গার্ল থাকবে না
বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ৫ ফাল্গুন ১৪১৬

 অসম্ভব ও অবাস্তব। ছবির সঙ্গে প্রায় এরা পাল্লা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু মাত্র একটা আইটেম সঙ করার জন্য কোন অভিনেত্রী কোটি টাকা নিয়েছেন তা নতুন নয়। আইটেম সঙ সাধারণত বলিউডের দ্বিতীয় শ্রেনীর অভিনেত্রীর জন্য বরাদ্দ। এবার কিন্তু দ্বিতীয় শ্রেনীর অভিনেত্রীদের রুজিতে হাত পড়েছে বলিউডের বক্স অফিসের প্রথম শ্রেনীর তারকাদের।

দক্ষিনের ছবিতে আইটেম সঙ করতে চলেছেন দীপিকা পাড়ুকন। এর আগে একবার মাত্র শারুখের অনুরোধে বিল্লু ছবিতে আইটেম সঙ্গ করেছিলে। তবে এবার যে ভাবে খোলাখুলি ভাবে দক্ষিন ছবিতে নেমেছেন তাতে বলিউডে গুঞ্জন, ছবির বাজার খারাপ বুঝে কি এবার আইটেম গার্ল। তবে এ নিয়ে নিজে সরাসরি কিছু জানাতে রাজি হন নি দীপিকা। ছবির যে অংশে দীপিকা আছে তার যে ভিডিও এখন পর্যন্ত পাওয়া গিয়েছে তাতে কিন্তু বলিউডে আইটেম গার্ল হিসাবে খ্যাত অভিনেত্রীদের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট। ছবির সঙ্গে যুক্ত একাধিক কলাকুশলী জানিয়েছেন দীপিকা জড়তাহীন ভাবে যে শট দিয়েছেন তা কল্পনা করা যায় না। কি ভাবছেন তথাকথিত আইটেম গার্লরা।

 

 

নায়ক আলমগীর এবং ছোট পর্দার প্রিয়মুখ তিশা
বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ২৮ মাঘ ১৪১৬

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে বড় পর্দার নায়ক আলমগীর এবং ছোট পর্দার প্রিয়মুখ তিশাকে এবার একসঙ্গে দেখা যাবে নোমান রবিনের পরিচালনায় ‘৫২ অ্যান্ড ২৫’ নামে একটি নাটকে।  বুকার পুরস্কার পাওয়া বিখ্যাত এক লেখক আলমগীর। তার বয়স ৫২ বছর। এদিকে লেখকের দারুণ ভক্ত তিশার বয়স মাত্র ২৫। লেখকের সঙ্গে তার চমৎকার বন্ধুত্বের সম্পর্ক।

তিশা প্রচন্ড পড়–য়া, তার বুদ্ধিবিবেচনাও অসাধারণ। ইত্যাদি নানাবিধ গুণের কারণে লেখক তাকে খুব পছন্দ করেন এবং এক পর্যায়ে তার প্রেমে পড়ে যান। কিন্তু গল্পের এক পর্যায়ে দেখা যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন লেখকের সঙ্গে তিশার মায়ের এক ধরনের সম্পর্ক ছিলো। আকস্মিকভাবে এটা জেনে ভেতরে ভেতরে ভীষণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তিশা। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে শেষপর্যন্ত তার ঠিকানা হয় পাগলা গারদে।অনুরূপ আইচের রচনায় নাটকটি ১৪ ফেব্রুয়ারি দেশের শীর্ষ একটি চ্যানেলে প্রচারিত হবে।

 

এবার আসছেন রাইমা সেন
বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ২৮ মাঘ ১৪১৬

কিছুদিন আগে গৌতম ঘোষের 'মনের মানুষ' ছবির কাজ করতে বাংলাদেশে এসেছিলেন প্রসেনজিৎ, পাওলি দাম এসেছিলেন। এবার এ দেশের ছবিতে অভিনয়ের জন্য চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকায় আসছেন রাইমা সেন। আশরাফ শিশিরের চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় 'আমরা একটা সিনেমা বানাবো' নামের ছবিতে দেখা যাবে তাকে। এছাড়া এই ছবিতে অভিনয় করবেন ওপার বাংলার খ্যাতিমান সঙ্গীতশিল্পী, অভিনয়শিল্পী ও চলচ্চিত্রকার অঞ্জন দত্ত। তিনিও শিগগিরই ঢাকায় আসবেন। এরই মধ্যে হার্ডিং ব্রিজ, ঈশ্বরদী, পাকশী, পাবনা ও গাজীপুরে ছবির দৃশ্য ধারণ শুরু

 

প্রেম নাকি বন্ধুত্ব
মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ২৭ মাঘ ১৪১৬,

বলিউড-ই প্রথম স্লোগান দিয়েছিলো “হামতো মহাব্বত করেংগে, দুনিয়া সে নাহি ডরেংগে”। আর এরাই প্রেম নামক আবেগটাকে লোকাতে চান সবথেকে বেশী। বলিউডের অভিনেত্রীরা কখনই আসল সত্যটা প্রকাশ করেন না৷ প্রেম থাকলে সেটাকে বন্ধুত্বের আখ্যা দিতেই পছন্দ করেন তারা৷ ভয়টা শুধুমাত্র এটাই আসল সত্যটা জানাজানি হয়ে গেলে কেরিয়ারের উপর তা না প্রভাব ফেলে৷অভিনেত্রী জেনেলিয়া ডি সুজার রিতেশ দেশমুখের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা ইন্ডাস্ট্রীতে কারো অজানা নয়৷ জেনেলিয়া বলিউডের প্রথম ছবিটিতে রিতেশের সঙ্গেই অভিনয় করেছিলেন৷ সেই থেকেই তাদের ঘনিষ্ঠতা৷ কিন্তু ওরা দুজনেই এটাকে বন্ধুত্ব আখ্যা দেন৷ আকছারই পার্টিতে তাদের একসঙ্গে দেখা যায়৷ কিছুদিন আগেই করণ জোহরের জন্মদিনের পার্টিতেও তারা একসঙ্গেই গেছিলেন৷ তবে জেনেলিয়া সত্যটাকে স্বীকার করতে একেবারেই নারাজ৷ তিনি স্পষ্ট জানান 'পার্টিতে আমরা আলাদা আলাদা এসেছি৷ একসঙ্গে পার্টিতে সময় কাটানোর এটা মানে নয় আমাদের মধ্যে প্রেম রযেছে৷

 

 

 

যেমন মা তেমন মেয়ে-
বুধবার, ২৭ জানুয়ারি ২০১০, ১৪ মাঘ ১৪১৬

কথাটি একদম অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায় রিয়া সেনের ক্ষেত্রে। মুনমুন সেনের এই নটরিয়াস মেয়ের রূপালী পর্দায় ঝলমলে আরোহন না থাকলেও, বলিউডে নিজের সেক্সি ইমেজ ঠিকই দাঁড় করিয়েছেন রিয়া সেন। এই অভিনেত্রী অবশ্য সেটাই করছেন যা তিনি ভালো পারেন; আর তার পরবর্তী আঁচর শাদি অব দ্য ডেড-এ তিনি একজন সিডাক্ট্রেস রমনীর চরিত্রে ভালোই করেছেন।তার দেহের ভাজেঁ কোথায় অলংকার পড়তে হবে এবং কিভাবে কাপড় পড়লে তাকে আরো বেশী যৌন আকর্ষক মনে হবে রিয়া সেটা ভালোই জানেন। অবশ্য রিয়া সেন ফেমিনার ২০০৭-এর সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েদের তালিকায় ৫০ জনের ভিতরেও ছিলেন। আর তার এই দৈহিক সৌন্দর্য ও যৌনাবেদনময় আপিল নিয়ে তিনি এই মুহূর্তে সিনেমার বাইরেই বেশী ব্যস্ত। সম্প্রতি তিনি প্রসিদ্ধ জুয়েলারি ব্র্যান্ড আনমলের মডেল হয়েছেন আপ কি তারাহ-শিরোনামে পিঙ্ক কালারের ড্রেস ও হীরের গহনা পড়ে।বলাবাহুল্য, এই বিজ্ঞাপনে রিয়ার শারীরিক উপস্থিতিতে যে আবহের সৃষ্টি হয়েছে সেটাকে বলাই যায়- আনমল; রিয়া কি তারাহ...

 

সাংবাদিকদের ওপর ভীষণ ক্ষেপেছেন চিত্র নায়িকা পপি
মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি ২০১০, ১৩ মাঘ ১৪১৬

বিনোদন সাংবাদিকদের ওপর ভীষণ ক্ষেপেছেন চিত্র নায়িকা পপি । পপি অভিযোগ করে বলেছেন, কিছু সাংবাদিকদের জন্যই তার ক্যারিয়ার মেঘে ঢেকে যাচ্ছে। তবে তার ক্ষোভ সব সাংবাদিকের ওপর নয়, সাংবাদিকদের কেউ কেউ তার বির"দ্ধে বিভিন্ন সময়ে উদ্ভট বানোয়াট খবর ছাপিয়ে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে এমন অভিযোগ পপির। কেউ কেউ ব্ল্যাকমেইল করার ষড়যন্ত্র করছে এমন কথাও বলেছেন তিনি। শুধু সাংবাদিকই নয়, চলচ্চিত্রের নেতাদের ওপরও চড়াও হয়েছেন তিনি। পপি বলেন, তাদের অনেকেই বাজারের পণ্য হিসেবে বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। পৃথিবীর কোনো চলচ্চিত্রে শিল্পে এমন ঘটনা ঘটে না। আর আমাকে নিয়েই কেন এতো হইচই। আমি পপি বলেই কী এসব করছেন তারা????

 

ব্যস্ত পূর্ণিমা
রোববার, ২৪ জানুয়ারি ২০১০, ১১ মাঘ ১৪১৬

বর্তমানে চলচ্চিত্রে নিয়মিত যে কজন জনপ্রিয় নায়িকা রয়েছেন তাদের মধ্যে পূর্ণিমা অন্যতম। এ পর্যন্ত তার অভিনীত ৭০টি মুভি মুক্তি পেয়েছে।
বর্তমানে কি নিয়ে ব্যস্ত আছেন?
চারটি মুভির কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছি। এখন অভিনয় করছি এটিএন মুভিজের ব্যানারে এফআই মানিক পরিচালিত চিরদিন আমি তোমার মুভিতে। ১৫ জানুয়ারি থেকে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত লাইলী মজনু মুভিতে ইমন ও বাপ্পারাজের সঙ্গে, এর পরপরই পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবরের একটি মুভিতে ও নতুন পরিচালক রনির একটি মুভিতে কাজের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছি।
ছোট ও বড় পর্দায় আপনার বিচরণ রয়েছে, কোন স্থানে কাজ করে সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?
আমি সব সময় কাজে বিশ্বাসী। ছোট পর্দা বা বড় পর্দা বিষয় না। ভালো কাহিনী ও পরিচালক পেলে দুই মিডিয়াতেই সমানতালে কাজ করি। ছোট পর্দায় এ পর্যন্ত প্রায় ২০টি নাটক ও ১৮টি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেছি। আগামীতে কাজ করার জন্য অফারও পেয়েছি বেশ কিছু নাটকের।
অবসরে কি করেন?
মিডিয়ার কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। ওই রকম অবসর সময় পাই না। মাঝে মধ্যে অবসর যা পাই সেই সময়টুকু সংসারে দেই।

পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালের ছবি"খোঁজ"
২০ জানুয়ারি ২০১০, ৭ মাঘ ১৪১৬

আধুনিক প্রযুক্তি আর পশ্চিমা ধাঁচের নির্মাণশৈলীতে ঢাকার চলচ্চিত্রকে নব আলোয় আলোকিত করতে যাচ্ছে ‘খোঁজ- দ্য সার্চ’ চলচ্চিত্রটি। ডুব সাঁতার ডিজিটাল ফরমেটে নির্মাণ হলেও খোঁজ ছবিটিতে রয়েছে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালের ছোঁয়া। মনসুন ফিল্ম প্রযোজিত ও পরিবেশিত, ইফতেখার চৌধুরী পরিচালিত এ চলচ্চিত্রের প্রধান চরিত্রের অভিনয় করেছেন অননত্ম। অ্যাডভেঞ্চার, থ্রিল ও রোমাঞ্চে ভরপুর অ্যাকশন মুভি ‘খোঁজ-দ্য সার্চ’এ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ছবিটিতে দুর্ধর্ষ, দুঃসাহসিক আর্মি কমান্ডো বাংলাদেশের হয়ে অবৈধ অস্ত্র পাচারকারী গ্যাংয়ের বিরম্নদ্ধে লড়াইকারী অননত্ম’র অভিনয় হলিউডের পৃথিবী বিখ্যাত যে কোনো অ্যাকশন মুভির কথাই দর্শককে মনে করিয়ে দিবে। ছবিতে অননত্ম জেমস বন্ডের নায়ক সিনকানারী বা পিয়ার্স ব্রসনানের গেটআপে অত্যনত্ম ঝুঁকিপূর্ণ শ্বাসরম্নদ্ধকর এ্যাকশন দৃশ্যেও কোনো ডামি বা স্ট্যান্টম্যানদের ব্যবহার করেননি। নিজেই এসব দৃশ্যে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন। ছবিতে কাহিনীর প্রয়োজনে হেলিকপ্টার, স্পিট বোট, হর্স রাইট, মোটরবাইকসহ নানা ধরনের বাহন ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যয়বহুল এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশসহ আমেরিকা, ইংল্যান্ড, থাইল্যান্ড, নেপাল, ভারত ও মায়ানমারে শুটিং করা হয়েছে। প্রায় নয় মাসের অনেক পরিশ্রমে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি বর্তমানে হলিউডের ইউনিভার্সেল স্টুডিও’তে সম্পাদনার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। আর এই পক্রিয়ার শেষে খুব শীঘ্রই সেন্সর ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করবে ‘খোঁজ- দ্য সার্চ’। বাংলাদেশসহ ইংল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভারত ও আমেরিকার আটটি অঙ্গরাজ্যে একসাথে মুক্তি দেয়া হবে ছবিটি। ওয়ার্ল্ড ক্লাস প্রযুক্তিতে নিমির্ত এ ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন অননত্ম, বর্ষা, ববি, সোহেল রানা, ইলিয়াস জাভেদ, ডা. এজাজ, সোহেল রানা, নিনো (ইতালি) সিয়ান, জেসিকা-হাস (আমেরিকা), মাইক বোস (সেক্সিকা), সান, ক্যারোলিন (সাউথ আফ্রিকা) সহ আরও অনেকে। এছাড়া হলিউড টেষ্ট এ্যাকশন পরিচালনা করেছেন ইফতেখার চৌধুরী নিজে এবং আংশিক এ্যাকশন দৃশ্য পরিচালনা করেছেন ঢাকাই ছবির এ্যাকশন হিরো খ্যাত রম্নবেল। ছবিটি প্রসঙ্গে ‘খোঁজ- দ্য সার্চ’ এর প্রধান চরিত্রাভিনেতা অননত্ম বলেন, ‘দেশীয় চলচ্চিত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে এ ছবিটি। নতুন নতুন প্রযুক্তি ও আইডিয়ার চমৎকার একটি উপস'াপনা থাকবে এখানে। আমরা এ ছবিটির মাধ্যমে বলতে চেয়েছি যে বাংলাদেশেও ইচ্ছে করলে হলিউডের মত চলচ্চিত্র নিমার্ণ সম্ভব। আশা করি এ ছবিটি শুধুমাত্র দেশীয় চলচ্চিত্রের ধারাকেই পরিবর্তন করবে না প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও সড়্গম হবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সমন্ধে বহিঃবিশ্বের ধারণা বদলে যাবে।’ নতুন ধারার এই চলচ্চিত্রটির প্রসঙ্গে সোহেল রানা বলেন, ‘আমি বিস্মিত হয়েছি দুঃসাহসিক সব দৃশ্য দেখে। যা ঢাকাই ছবিতে অনেকটাই বিরল। আশা করছি দর্শকরা ছবিটি দেখে যেমন বিস্মিত হবে তেমনি দারম্নণ উপভোগ করবে অননেত্মর এ্যাকশন দৃশ্যগুলো দেখে।’ অ্যাকশন আর অ্যাডভেঞ্চারের মাঝেও ছবিতে গান রয়েছে ছটি। যাতে কণ্ঠ দিয়েছেন বাপ্পা মজুমদার, ন্যান্সি, হাবিব, এস আই টুটুল, সামিনা চৌধুরী, কনক চাঁপা, ফেরদৌস ওয়াহীদ, কনা, রন্টি ও কলকাতার সাদিয়া বেনজির। এছাড়া খোঁজ শিরোনামে ‘আই এম সার্চিং’ গানটির ইংরেজি ভার্সনে কক্ত দিয়েছেন পরিচালক ইফতেখার চৌধুরী স্বয়ং। ‘খোঁজ-দ্য সার্চ’ চলচ্চিত্রটি দেশীয় চলচ্চিত্রে যোগ করবে ভিন্ন এক মাত্রা যা অনেকটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। এখন কেবল অপেড়্গার পালা নতুনত্বের খোঁজ দেখার জন্য।

িজেই গান গাইবেন শিশুশিল্পী দীঘি।

এতদিন পর্দায় গানের দৃশ্যে ঠোঁট মেলালেও এবার নিজেই গান গাইবেন শিশুশিল্পী দীঘি। পিএ কাজলের পরিচালনায় নির্মাণাধীন জজের ছেলে আসামি ছবির একটি গানে কণ্ঠ দেবে দীঘি। তার সহ-শিল্পী হিসেবে কণ্ঠ দেবেন এন্ড্রু কিশোর। ছবিতে গানের দৃশ্যে ঠোঁট মেলাবেন সাকিব খান এবং দীঘি নিজেই। সঙ্গীত পরিচালনা করবেন ইমন সাহা। এ সম্পর্কে ছবির পরিচালক পিএ কাজল মন্তব্য করেন, এতদিন দর্শকরা জানতেন, দীঘি চমৎকার অভিনয় করে, এবার দর্শকরা জানবে দীঘি সুন্দর গানও গাইতে পারে। বিষয়টি দর্শকদের অবশ্যই আনন্দ দেবে। আগামী ২৫ ডিসেম্বর মুক্ত পাচ্ছে দীঘি অভিনীত পিএ কাজলের পিরিতির আগুন জ্বলে দ্বিগুন ছবিটি। ছবিটির একটি বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে লিটল স্টার দীঘিকে। ছবিতে শাবনূরের মামাত বোনের চরিত্রে দীঘি অভিনয় করেছেন। এখানে রাজ্জাকের সঙ্গে অভিনীত জমজমাট কিছু দৃশ্য আছে যা দর্শককে আনন্দ দেবে। ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন_ শাবনূর, ইমন, বিন্দু, আমান, সুব্রত, রেবেকা, রেহানা জলি, দুলারী, কাবিলা, শানু, শিবা ওমিজু আহমেদ। এদিকে দীঘির মা নায়িকা দোয়েল বর্তমানে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণজনিত জটিল রোগে আক্রান্ত। তার চিকিৎসার সাহায্যের জন্য এফডিসির উদ্যোগে টিউলিপ এন্টারপ্রাইজ ও শোবিজ যৌথভাবে একটি চ্যারিটি শোর আয়োজন করেছেন। আগামী ২০ জানুয়ারি ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন_ সাকিব খান, অপু বিশ্বাস, শাবনূর, পপি, কণ্ঠশিল্পী সামিনা চৌধুরী, বালামসহ আরও অনেকে।দোয়েলের অসুস্থতা সম্পর্কে দীঘি বলে, পৃথিবীতে মা-ই আমার সবকিছু। মা না থাকলে আমি যাব কোথায়? কে আমাকে আদর করবে? আপনারা সবাই আমার মায়ের সুস্থতার জন্য সাহায্য করুন, আমার মায়ের জন্য সবাই দোয়া করুন।

'তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি'

'তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয় সে কী মোর অপরাধ'- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জনপ্রিয় একটি গান। এই গানের প্রথম লাইনটুকু দিয়েই নিজের নতুন ছবির নামকরণ করলেন পরিচালক উত্তম আকাশ। এটি অবশ্য পরিচালকের প্রথম নজরুল-প্রীতি নয়। তার 'দুষ্ট ছেলে মিষ্টি মেয়ে' ছবিতে সংযোজিত নজরুলের জনপ্রিয় গান 'মোর প্রিয়া হবে এসো রানী, দেবো খোপায় তারার ফুল' গানটি খুবই শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছিল বড় পর্দার দর্শকদের কাছে। উত্তম আকাশের এই ছবির কাজ শুরু হয়েছে গতকাল থেকে। মঙ্গলবার ওয়ান্ডারল্যান্ডে গানের দৃশ্য চিত্রায়নের মাধ্যমে ক্যামেরা চালু হয় 'তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি' ছবির। শুটিংয়ে অংশ নেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর এবং নবাগত নাদিম। নতুন এ নায়কের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটিবদ্ধ হয়েছেন শাবনূর এই ছবিতে। ছবির অপর জুটি হিসেবে রয়েছেন ইমন-সিলভী। পরিচালক উত্তম আকাশ জানান, পুরোপুরি রোমান্টিক ছবি হবে এটি। নির্মিত হচ্ছে নাদিম নাফিম ফিল্মসের ব্যানারে। এই প্রডাকশনের বেশ কয়েকটি ছবি এখন পরিচালনা করছেন উত্তম আকাশ। প্রসঙ্গক্রমে তিনি জানান, চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে তৃতীয় বারের মতো কাজ করছেন তিনি। সর্বপ্রথম শাবনূর উত্তম আকাশের 'কে অপরাধী' ছবিতে অভিনয় করেন। তারপর কাজ করেন 'ঢাকাইয়া পোলা বরিশাইল্যা মাইয়্যা' ছবিতে। আর এখন কাজ করছেন 'তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি' ছবিতে।

 

 

 

শাবনূর নেই, আছেন পূর্ণিমা।

 

প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজল প্রযোজিত 'মায়ের চোখ' ছবিতে শাবনূর নেই, আছেন পূর্ণিমা। মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত এই ছবিতে আমিন খানের বিপরীতে শাবনূর অভিনয় করবেন বলে জানিয়েছিলেন ছবির পরিচালক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শাবনূরের জায়গায় চলে এসেছেন পূর্ণিমা। বর্তমানে সমুদ্র শহর কক্সবাজারে এই ছবির শুটিং করছেন পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবর। ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন ডিপজল। মায়ের চরিত্রে রয়েছেন যথারীতি আনোয়ারা। ডিপজলের নায়িকা রেসী। অমি বনি কথাচিত্রের ব্যানারে নির্মাণ হচ্ছে ছবিটি। শাবনূর জানিয়েছেন, তিনি ডিপজল প্রযোজিত 'সে আমার বোন' ছবিতে অভিনয় করবেন। এদিকে সুন্দরী নায়িকা পূর্ণিমা ডিপজলের দুটি ছবিতে অভিনয় করছেন। ছবি দু'টি হচ্ছে শাহিন সুমন পরিচালিত 'জমিদার' ও মনতাজুর রহমান পরিচালিত 'মায়ের চোখ'। নতুন করে ক্যারিয়ার সাজানোর পরিকল্পনা নেয়া পূর্ণিমার এই ছবিগুলো তাকে সফল হতে সহযোগিতা করবে বলে চলচ্চিত্র বোদ্ধারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

'মন নিয়ে লুকোচুরি'তে বিতর্কিত নায়িকা কেয়া থাকছেন না।

শাহ আলম কিরণ পরিচালিত 'মন নিয়ে লুকোচুরি'তে বিতর্কিত নায়িকা কেয়া থাকছেন না। বাদ পড়েছেন তিনি। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব শাহ আলম কিরন এরমধ্যে কেয়াকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে 'মন নিয়ে লুকোচুরি' নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। সময়ের আলোচিত নায়ক ইমনকে কেয়ার বিপরীতে নেয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। কিন্তু সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে শাহ আলম কিরণ কেয়াকে খুঁজে পাচ্ছেন না। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন নানা কারণে বিতর্কিত এই নায়িকা। অনেক অঘটনের সঙ্গে জড়িত চিত্রনায়িকা কেয়া অনুরোধ অনুনয় বিনয় করে শাহ আলম কিরণের ছবিতে সুযোগ পেয়েছিলেন। গুণী এই পরিচালক ভেবেছিলেন নায়িকা সঙ্কটে কেয়াকে নতুন করে সুযোগ দিলে চলচ্চিত্রের জন্য ভাল হবে। কিন্তু কেয়া নিজের স্বভাব চরিত্র বদলাতে পারেননি। পরিচালকের সঙ্গেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন তিনি। কেয়াকে কোনভাবে খুঁজে না পেয়ে পরিচালক শাহ আলম কিরণ তার 'মন নিয়ে লুকোচুরি' ছবির পরিকল্পনা থেকে কেয়াকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। একই অভিযোগে পরিচালক সোহেল আরমানও মহরত করে কেয়াকে তার 'এই তো প্রেম' ছবি থেকে বাদ দিতে বাধ্য হন। এ ছবির নায়ক ছিলেন শাকিব খান। একটি সূত্রে জানা গেছে, কেয়া একজন নতুন নায়কের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন। খান পদবীর এই নায়কের কারণেই কেয়া আত্মগোপনে থাকছেন বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

নিপুন এবং আমানের চরিত্র দুটি একেবারেই অপ্রয়োজনীয়।

সৃষ্টির প্রতি স্রষ্টার ভালোবাসার শেষ না থাকতে পারে, দর্শকদের ধৈর্য্যরে শেষ আছে। নির্মাতারা গত কয়েক বছর ধরে ক্রমাগত বাংলা ছবির দর্শকদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন। সিনেমা হলে বসে তিন ঘণ্টা ধৈর্য্য ধরে ছবি দেখা এখন অগ্নিপরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। দর্শকদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নেয়া নির্মাতাদের কাতারে এবারে সামিল হলেন রেজা লতিফ। প্রায় চার দশকের অভিজ্ঞ চিত্রগ্রাহক রেজা লতিফের দ্বিতীয় ছবি 'ভালোবাসার শেষ নেই'। প্রত্যাশার পারদ স্বাভাবিকভাবেই ছিল অনেক উঁচুতে। কিন্তু প্রত্যাশা পূরণের ধারে-কাছেও যাননি পরিচালক। পুরো ছবিতে এমন একটা ফ্রেম খুঁজে পাওয়া যাবে না যা দেখে মনে হতে পারে ক্যামেরা চালিয়ে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। যদি এটা ভুলেও যাই ছবির পরিচালক একজন চিত্রগ্রাহক, ধরে নেই রেজা লতিফ একজন পরিচালক মাত্র, তবে কোথায় পরিচালকের মুন্সীয়ানা? প্রায় আড়াই ঘণ্টার ছবিতে এমন একটা সিকোয়েন্স ছিল না যা দেখে দর্শক তৃপ্তি পেতে পারে। বরং ছবিজুড়ে অসঙ্গতি আর পরিচালকের দেউলিয়াপনা বড় বেশি স্পষ্ট। শচীন কুমার নাগের লেখা গল্পকে বলা যেতে পারে নতুন বোতলে পুরনো মদ। দর্শকদের মোটেও নেশা ধরেনি। বরং বলা ভাল বদহজম হয়েছে। সংলাপও তারই লেখা। যাত্রার ঢঙ থেকে বেড়িয়ে আসতে পারেননি। তাই বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। এবার পরিচালক ও কাহিনীকারের কাছে কিছু প্রশ্ন। সাহারার পালিত বাবার মৃত্যুর সময় এবং সাহারা শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময় তার আসল বাবার আগমন কতোটা বিশ্বাসযোগ্য? মিজু আহমেদ কেরোসিন দিয়ে গাড়ি জ্বালিয়ে দেয়ার পরও সম্রাটের একটা লোমেরও ক্ষতি হলো না কেন? আর দুর্ঘটনার সময় মিজু আহমেদই বা হাজির হলেন কোথা থেকে? একবার সাহারাকে, একবার সম্রাটকে, পরোপকার ছাড়া ইলিয়াস কোবরার আর কোনো কাজ নেই? সম্রাট সাহারার স্বামী এটা জানা মাত্রই নিপুন কেন ভালোবাসতে শুরু করলো আমানকে? এটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত? এরকম অসংখ্য গোঁজামিলে ভরপুর 'ভালোবাসার শেষ নেই'। ছবিতে একজনই অভিনয় করেছেন তিনি কাবিলা। একমাত্র তার সংলাপের সময়ই দর্শক করতালি দিয়েছে। নিপুন এবং আমানের চরিত্র দুটি একেবারেই অপ্রয়োজনীয়। ছবির চরিত্র বিন্যাস ছিল একেবারে অগোছালো।